এই প্রশ্ন আগে পরীক্ষায় এসেছে:
CTET 2026
উত্তর
E
ব্যাখ্যা
কোনো আকৃতিকে ৩৬০° এর চেয়ে কম কোণে ঘোরালে যদি সেটি মূল আকৃতির মতো হুবহু একই দেখায়, তবে তার ঘূর্ণন প্রতিসাম্য (Rotational Symmetry) আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। O অক্ষরটিকে যেকোনো কোণে ঘোরালেই একই দেখায়। H এবং N অক্ষরকে ১৮০° ঘোরালে মূল অক্ষরের মতোই দেখায়। কিন্তু E অক্ষরটিকে ১৮০° বা ৯০° ঘোরালে মূল E-এর মতো দেখায় না। ৩৬০° ঘোরালে তবেই তা আবার আগের মতো হয়। তাই E-এর ঘূর্ণন প্রতিসাম্য মাত্রা ১ (যার মানে কোনো প্রকৃত ঘূর্ণন প্রতিসাম্য নেই)।
মূল পয়েন্ট
- > প্রতিসাম্য (Symmetry) দুই প্রকার: রৈখিক (Line/Reflection) এবং ঘূর্ণন (Rotational)।
- > ঘূর্ণন প্রতিসাম্য মাত্রা (Order of Rotational Symmetry) বলতে বোঝায় ৩৬০° ঘোরানোর সময় আকৃতিটি কতবার মূল আকৃতির মতো দেখতে হয়।
- > E অক্ষরের রৈখিক প্রতিসাম্য (অনুভূমিক রেখা বরাবর) আছে, কিন্তু ঘূর্ণন প্রতিসাম্য নেই।
- > H এবং O অক্ষরের রৈখিক এবং ঘূর্ণন উভয় প্রতিসাম্যই রয়েছে।
- > N, S, এবং Z অক্ষরের ঘূর্ণন প্রতিসাম্য আছে (১৮০° এ), কিন্তু রৈখিক প্রতিসাম্য নেই।
- > যেকোনো আকৃতির নূন্যতম ঘূর্ণন প্রতিসাম্য মাত্রা ১ (৩৬০° ঘূর্ণন), কিন্তু এটিকে 'প্রতিসাম্য নেই' ধরা হয়।
অতিরিক্ত তথ্য
ইংরেজি বর্ণমালার প্রতিসাম্য
| অক্ষর | রৈখিক প্রতিসাম্য | ঘূর্ণন প্রতিসাম্য | ঘূর্ণন মাত্রা |
|---|---|---|---|
| A, B, C, D, E | হ্যাঁ | না | ১ |
| H, I, O, X | হ্যাঁ | হ্যাঁ | ২ (O এর অনন্ত) |
| N, S, Z | না | হ্যাঁ | ২ |
| F, G, J, P, R | না | না | ১ |
মনে রাখার টিপস
- ১৮০° ট্রিক: আপনার খাতাটি উল্টো করে (১৮০° ঘুরিয়ে) দেখুন। যে অক্ষরগুলো একইরকম পড়তে পারবেন, তাদের ঘূর্ণন প্রতিসাম্য আছে (যেমন: S, N, H, Z, O, X, I)।
