WBPSC ক্লার্কশিপ 2024: পশ্চিমবঙ্গ ও সাধারণ জ্ঞান মিশ্র কুইজ (20টি প্রশ্ন)
একটু অনুশীলন, আরও এক ধাপ এগিয়ে।
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-I-এ জেনারেল স্টাডিজে 40টি প্রশ্ন, তাতে প্রতিটি ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়। এই কুইজে পশ্চিমবঙ্গ, ইতিহাস, ভূগোল, সংবিধান ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকে মাধ্যমিক স্তরের 20টি প্রশ্ন আছে। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড পাবেন। উত্তর দিলেই ব্যাখ্যা, মূল তথ্য ও সাধারণ ভুলের সতর্কতা দেখবেন; উপরের টগলে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে বদলানো যায়। প্রস্তুতির ছক চাইলে দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা, আবেদনের নিয়ম পাবেন আবেদন গাইডে, আর আগের প্রশ্নের ধরন বুঝতে 2023 সালের প্রশ্নপত্র। সূত্র WBPSC, ক্লার্কশিপ পরীক্ষা…
পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
সিঙ্গালিলা পর্বতশ্রেণির সান্দাকফু (প্রায় 3,636 m) পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ স্থান। ফালুট (প্রায় 3,600 m) খুব কাছাকাছি, তাই অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন। টাইগার হিল দার্জিলিংয়ের সূর্যোদয় দেখার জায়গা, উচ্চতা তার চেয়ে অনেক কম।
- সান্দাকফু দার্জিলিং জেলায়, ভারত–নেপাল সীমান্তে
- ফালুট রাজ্যের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ
- টাইগার হিলের উচ্চতা প্রায় 2,590 m
- ফালুট ও সান্দাকফুর উচ্চতা প্রায় সমান, কিন্তু সান্দাকফু সামান্য বেশি
- সান্দাকফু = সবার ওপরে, ফালুট = এক ধাপ নিচে
| স্থান | উচ্চতা (প্রায়) |
|---|---|
| সান্দাকফু | 3,636 m |
| ফালুট | 3,600 m |
| টাইগার হিল | 2,590 m |
নদিয়ার নবদ্বীপের কাছে কোন দুটি নদী মিলে হুগলি নদী তৈরি হয়েছে?
নদিয়া জেলায় নবদ্বীপের কাছে ভাগীরথী ও জলঙ্গী নদী মিলিত হয়ে হুগলি নামে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়েছে। দামোদর ও রূপনারায়ণ আলাদা নদী, যারা পরে হুগলিতে এসে পড়ে। অজয় ভাগীরথীর শাখা-উপনদী, হুগলির উৎস নয়।
- ভাগীরথী গঙ্গার একটি শাখা
- হুগলি নদী বঙ্গোপসাগরে মিশেছে
- কলকাতা বন্দর হুগলির তীরে
- হুগলি নদীকে গঙ্গার মূল ধারা ভাবা ভুল, মূল ধারা পদ্মা নামে বাংলাদেশে গেছে
- ভাগীরথী + জলঙ্গী = হুগলি
পলাশির যুদ্ধ কোন সালে হয়েছিল?
পলাশির যুদ্ধ হয় 23 জুন 1757 সালে, ভাগীরথী নদীর তীরে। এতে রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হারায়। 1764 সালের যুদ্ধটি বক্সারের, পলাশির নয়।
- তারিখ: 23.06.1757
- কোম্পানির সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভ
- মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার ভূমিকা ছিল
- বক্সারের যুদ্ধ (1764) ও পলাশির যুদ্ধ গুলিয়ে ফেলা
- পলাশি 1757, বক্সার 1764: সাত বছরের ফারাক
| যুদ্ধ | সাল |
|---|---|
| পলাশি | 1757 |
| বক্সার | 1764 |
1905 সালে বঙ্গভঙ্গের সিদ্ধান্ত কোন ভাইসরয়ের আমলে কার্যকর হয়?
বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয় 16 অক্টোবর 1905 সালে, ভাইসরয় লর্ড কার্জনের আমলে। এর বিরুদ্ধে স্বদেশি ও বয়কট আন্দোলন গড়ে ওঠে। ডালহৌসি (স্বত্ববিলোপ নীতি) ও বেন্টিঙ্ক (সতীদাহ নিষেধ) অন্য সময়ের শাসক।
- কার্যকর: 16.10.1905
- বঙ্গভঙ্গ রদ হয় 1911 সালে
- এর বিরুদ্ধে স্বদেশি আন্দোলন শুরু
- ডালহৌসির নাম প্রায়ই ভুলে বেছে নেওয়া হয়
- কার্জন = কাটা: বাংলাকে কেটেছিলেন
ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরানোর ঘোষণা হয় কোন সালে?
1911 সালের দিল্লি দরবারে রাজা পঞ্চম জর্জ রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরানোর কথা ঘোষণা করেন। 1905 সাল বঙ্গভঙ্গের বছর, 1919 সালে রাওলাট আইন ও জালিয়ানওয়ালাবাগ। 1947 সালে ভারত স্বাধীন হয়।
- দিল্লি দরবার: 1911
- এর আগে কলকাতাই ছিল রাজধানী
- একই বছর বঙ্গভঙ্গ রদ
- 1905 (বঙ্গভঙ্গ) আর 1911 গুলিয়ে ফেলা
- বঙ্গভঙ্গ রদ আর রাজধানী বদল, দুটোই 1911
"বন্দে মাতরম" গানটির রচয়িতা কে?
"বন্দে মাতরম" লিখেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। গানটি তাঁর "আনন্দমঠ" উপন্যাসে (1882) আছে। রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন "জন গণ মন", নজরুল লিখেছেন বিদ্রোহী কবিতা ও অসংখ্য গান।
- উপন্যাস: আনন্দমঠ, 1882
- রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র
- "জন গণ মন"-র রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ
- জাতীয় সংগীত ও জাতীয় গান গুলিয়ে ফেলা
- আনন্দমঠ = বন্দে মাতরম = বঙ্কিম
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন সালে নোবেল পুরস্কার পান?
রবীন্দ্রনাথ 1913 সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। তিনি প্রথম ভারতীয় ও প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী। পুরস্কারটি "গীতাঞ্জলি"-র ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings-এর জন্য।
- সাল: 1913
- প্রথম এশীয় নোবেলজয়ী
- Song Offerings = গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপ
- 1921 সাল বিশ্বভারতীর, নোবেলের নয়
- 1913: তেরো সংখ্যার নোবেল
শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয় 1921 সালে, রবীন্দ্রনাথের উদ্যোগে। এর আগে 1901 সালে তিনি শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম শুরু করেন, সেটিই ভুল উত্তরের টোপ। 1913 সালে তিনি নোবেল পান।
- বিশ্বভারতী: 1921
- ব্রহ্মচর্যাশ্রম: 1901
- কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা পায় 1951 সালে
- 1901 সালের আশ্রম আর 1921 সালের বিশ্বভারতী আলাদা
- আশ্রম 1901, বিশ্বভারতী 1921: কুড়ি বছর পরে
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা কোন দেশের সহায়তায় গড়ে ওঠে?
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা গড়ে ওঠে যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহায়তায়। ভিলাই ও বোকারো সোভিয়েত ইউনিয়নের, রাউরকেলা পশ্চিম জার্মানির সহায়তায় তৈরি। তিনটিই দ্বিতীয় ও তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার কারখানা।
- দুর্গাপুর পশ্চিম বর্ধমান জেলায়
- দামোদর উপত্যকা এলাকার শিল্পাঞ্চল
- সরকারি ক্ষেত্রের ইস্পাত কারখানা
- ভিলাইয়ের সঙ্গে সোভিয়েত যোগ দুর্গাপুরে বসিয়ে দেওয়া
- দুর্গাপুর–ব্রিটেন, রাউরকেলা–জার্মানি, ভিলাই–রাশিয়া
| ইস্পাত কারখানা | রাজ্য | সহায়তাকারী দেশ |
|---|---|---|
| দুর্গাপুর | পশ্চিমবঙ্গ | যুক্তরাজ্য |
| রাউরকেলা | ওড়িশা | পশ্চিম জার্মানি |
| ভিলাই | ছত্তিশগড় | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| বোকারো | ঝাড়খণ্ড | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় কোন সালে স্থান পায়?
সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান 1987 সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় ঢোকে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলগুলির একটি এবং রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বাসস্থান। এর বড় অংশ বাংলাদেশে, ভারতীয় অংশ পশ্চিমবঙ্গে।
- ইউনেস্কোর তালিকায়: 1987
- রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাস
- ম্যানগ্রোভ বন, গঙ্গা–ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপে
- প্রজেক্ট টাইগার শুরু 1973 সালে, বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি 1987-তে
- সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবন
ডঃ আম্বেদকর সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদকে "সংবিধানের হৃদয় ও আত্মা" বলেছিলেন?
আম্বেদকর সাংবিধানিক প্রতিকারের অধিকার, অর্থাৎ অনুচ্ছেদ 32-কে সংবিধানের হৃদয় ও আত্মা বলেন। এর মাধ্যমে নাগরিক মৌলিক অধিকারের জন্য সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারেন। অনুচ্ছেদ 14 সাম্যের অধিকার, 21 জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার, 25 ধর্মের স্বাধীনতার।
- অনুচ্ছেদ 32 = সাংবিধানিক প্রতিকার
- সুপ্রিম কোর্ট রিট জারি করতে পারে
- হেবিয়াস কর্পাস, মান্ডামাস প্রভৃতি রিট
- অনুচ্ছেদ 21 বেছে নেওয়া, কারণ সেটি বহুল আলোচিত
- বত্রিশ = বাঁচার হাতিয়ার: অধিকার ভাঙলে আদালতে যাও
| অধিকার | অনুচ্ছেদ |
|---|---|
| সাম্যের অধিকার | 14–18 |
| স্বাধীনতার অধিকার | 19–22 |
| শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার | 23–24 |
| ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার | 25–28 |
| সংস্কৃতি ও শিক্ষাবিষয়ক অধিকার | 29–30 |
| সাংবিধানিক প্রতিকারের অধিকার | 32 |
ভারতের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
ভারতের সংবিধান কার্যকর হয় 26 জানুয়ারি 1950 তারিখে, যা প্রজাতন্ত্র দিবস। সংবিধান গৃহীত হয়েছিল তার আগে, 26 নভেম্বর 1949 তারিখে। 26 জানুয়ারি 1930 তারিখে পূর্ণ স্বরাজ দিবস পালিত হয়েছিল।
- গৃহীত: 26.11.1949
- কার্যকর: 26.01.1950
- খসড়া কমিটির সভাপতি ডঃ বি আর আম্বেদকর
- গৃহীত হওয়া আর কার্যকর হওয়ার তারিখ আলাদা
- নভেম্বরে গৃহীত, জানুয়ারিতে চালু
| ঘটনা | তারিখ |
|---|---|
| পূর্ণ স্বরাজ দিবস | 26.01.1930 |
| স্বাধীনতা | 15.08.1947 |
| সংবিধান গৃহীত | 26.11.1949 |
| সংবিধান কার্যকর | 26.01.1950 |
বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা গ্যাস কোনটি?
বায়ুমণ্ডলের প্রায় 78% নাইট্রোজেন। অক্সিজেন প্রায় 21%, তাই সেটি দ্বিতীয়, প্রথম নয়। আর্গন প্রায় 0.93% এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড মাত্র প্রায় 0.04%।
- নাইট্রোজেন প্রায় 78%
- অক্সিজেন প্রায় 21%
- আর্গন তৃতীয় বৃহত্তম উপাদান
- প্রাণ বাঁচায় বলে অক্সিজেনকে সবচেয়ে বেশি ভাবা
- 78 + 21 = 99: দুই গ্যাসেই প্রায় সবটুকু
বায়ুর উপাদান
ভিটামিন C-এর অভাবে কোন রোগ হয়?
ভিটামিন C-এর অভাবে স্কার্ভি হয়, যাতে মাড়ি ফোলে ও রক্ত পড়ে। বেরিবেরি ভিটামিন B1-এর, রিকেট ভিটামিন D-র এবং রাতকানা ভিটামিন A-র অভাবে হয়। আমলকি, লেবু ও কমলায় ভিটামিন C প্রচুর থাকে।
- ভিটামিন C = অ্যাসকরবিক অ্যাসিড
- উৎস: লেবু, আমলকি, পেয়ারা
- স্কার্ভিতে মাড়ি থেকে রক্তপাত
- রিকেট ও স্কার্ভি, দুটোই হাড়-দাঁতের সমস্যা বলে গুলিয়ে ফেলা
- C দিয়ে Citrus, অভাবে Scurvy
| ভিটামিন | অভাবজনিত রোগ |
|---|---|
| A | রাতকানা |
| B1 | বেরিবেরি |
| C | স্কার্ভি |
| D | রিকেট |
| K | রক্ত জমাট বাঁধতে দেরি |
নিচের কোন রাজ্যের ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা যায় না?
ওড়িশার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি যায় না। গুজরাট, ঝাড়খণ্ড ও ত্রিপুরা তিনটিই সেই রেখার পথে পড়ে। পশ্চিমবঙ্গে রেখাটি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও নদিয়া প্রভৃতি জেলার ওপর দিয়ে গেছে।
- কর্কটক্রান্তি 23½° উত্তর অক্ষাংশ
- ভারতের 8টি রাজ্যের ওপর দিয়ে গেছে
- পশ্চিমবঙ্গও সেই আটটির একটি
- ওড়িশা পূর্ব ভারতে বলে রেখার পথে ভাবা
- গুজরাট থেকে মিজোরাম: পশ্চিম থেকে পূর্বে আটটি রাজ্য
| ক্রম (পশ্চিম থেকে পূর্বে) | রাজ্য |
|---|---|
| 1 | গুজরাট |
| 2 | রাজস্থান |
| 3 | মধ্যপ্রদেশ |
| 4 | ছত্তিশগড় |
| 5 | ঝাড়খণ্ড |
| 6 | পশ্চিমবঙ্গ |
| 7 | ত্রিপুরা |
| 8 | মিজোরাম |
কোন মৌর্য সম্রাট কলিঙ্গ যুদ্ধের পর বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন?
কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহ রক্তপাত দেখে সম্রাট অশোক যুদ্ধ ছেড়ে ধর্মবিজয়ের পথ নেন এবং বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। চন্দ্রগুপ্ত ও বিন্দুসার তাঁর পূর্বসূরি। সমুদ্রগুপ্ত মৌর্য নন, গুপ্ত বংশের শাসক।
- কলিঙ্গ যুদ্ধ আনুমানিক 261 খ্রিস্টপূর্বাব্দে
- কলিঙ্গ আজকের ওড়িশা অঞ্চল
- অশোকের ত্রয়োদশ শিলালিপিতে এর বর্ণনা
- সমুদ্রগুপ্ত গুপ্ত বংশের, মৌর্য নন
- অশোক = শোক নেই: যুদ্ধের শোকে শান্তির পথ
প্রথম পানিপথের যুদ্ধ কোন সালে হয়েছিল?
প্রথম পানিপথের যুদ্ধ হয় 1526 সালে, যাতে বাবর ইব্রাহিম লোদিকে হারিয়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত গড়েন। 1556 সালে দ্বিতীয় যুদ্ধে আকবর হিমুকে হারান। 1761 সালে তৃতীয় যুদ্ধ মারাঠা ও আহমদ শাহ আবদালির মধ্যে হয়।
- প্রথম পানিপথ: 1526
- বাবরের জয়, ইব্রাহিম লোদির পরাজয়
- তোপখানা ও কামানের ব্যবহার
- 1192 সালে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ, পানিপথের নয়
- তিন পানিপথ: 1526, 1556, 1761
| যুদ্ধ | সাল | পক্ষ |
|---|---|---|
| প্রথম পানিপথ | 1526 | বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি |
| দ্বিতীয় পানিপথ | 1556 | আকবর (বৈরাম খান) বনাম হিমু |
| তৃতীয় পানিপথ | 1761 | মারাঠা বনাম আহমদ শাহ আবদালি |
আয়তনে ভারতের বৃহত্তম রাজ্য কোনটি?
আয়তনে ভারতের সবচেয়ে বড় রাজ্য রাজস্থান (প্রায় 3.42 লক্ষ বর্গ কিমি)। তার পরেই মধ্যপ্রদেশ, তারপর মহারাষ্ট্র। উত্তরপ্রদেশ জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড়, আয়তনে নয়।
- আয়তনে প্রথম: রাজস্থান
- জনসংখ্যায় প্রথম: উত্তরপ্রদেশ
- আয়তনে সবচেয়ে ছোট রাজ্য: গোয়া
- জনসংখ্যায় বড় আর আয়তনে বড় রাজ্য আলাদা
- রাজস্থান = আয়তনে রাজা
| আয়তনে ক্রম | রাজ্য |
|---|---|
| 1 | রাজস্থান |
| 2 | মধ্যপ্রদেশ |
| 3 | মহারাষ্ট্র |
মুর্শিদাবাদ জেলার ফরাক্কা ব্যারেজ কোন নদীর ওপর তৈরি?
ফরাক্কা ব্যারেজ গঙ্গা নদীর ওপর, মুর্শিদাবাদ জেলায় (1975 সালে চালু)। এর ফিডার ক্যানাল গঙ্গার জল ভাগীরথী–হুগলিতে নিয়ে গিয়ে কলকাতা বন্দরের পলি পরিষ্কারে সাহায্য করে। দামোদর, তিস্তা ও মহানন্দা অন্য নদী।
- ফরাক্কা ব্যারেজ গঙ্গার ওপর
- উদ্দেশ্য: কলকাতা বন্দর বাঁচানো
- গঙ্গার জল-ভাগাভাগি নিয়ে ভারত–বাংলাদেশ চুক্তি আছে
- তিস্তা ব্যারেজ (গজলডোবা) আর ফরাক্কা আলাদা
- ফরাক্কা–গঙ্গা, তিস্তা–তিস্তা ব্যারেজ (গজলডোবা)
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ফুল কোনটি?
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য ফুল শিউলি (পারিজাত)। শরৎকালে এই ফুল ফোটে এবং দুর্গাপূজার সঙ্গে জড়িয়ে আছে। পদ্ম ভারতের জাতীয় ফুল, তাই এটি রাজ্যের নয়।
- শিউলির বৈজ্ঞানিক নাম Nyctanthes arbor-tristis
- ফোটে শরৎকালে
- পদ্ম ভারতের জাতীয় ফুল
- জাতীয় ফুল পদ্মকে রাজ্য ফুল ভাবা
- শরতের সকাল = শিউলি
📊 বিষয় বিশ্লেষণ
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-I-এ জেনারেল স্টাডিজে 40টি প্রশ্ন, তাতে প্রতিটি ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়। এই কুইজে পশ্চিমবঙ্গ, ইতিহাস, ভূগোল, সংবিধান ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান থেকে মাধ্যমিক স্তরের 20টি প্রশ্ন আছে।
প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড পাবেন। উত্তর দিলেই ব্যাখ্যা, মূল তথ্য ও সাধারণ ভুলের সতর্কতা দেখবেন; উপরের টগলে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে বদলানো যায়।
প্রস্তুতির ছক চাইলে দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা, আবেদনের নিয়ম পাবেন আবেদন গাইডে, আর আগের প্রশ্নের ধরন বুঝতে 2023 সালের প্রশ্নপত্র।
Table of Contents
সূত্র
- WBPSC, ক্লার্কশিপ পরীক্ষা 2024, বিজ্ঞপ্তি নং 12/2024, তারিখ 06.10.2026
- WBPSC, ক্লার্কশিপ 2024: স্কিম ও সিলেবাস
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ক্লার্কশিপ পার্ট-I-এ জেনারেল স্টাডিজে কত প্রশ্ন থাকে?
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পার্ট-I-এ মোট 100টি MCQ, তার মধ্যে ইংরেজি 30, জেনারেল স্টাডিজ 40 ও পাটিগণিত 30। সময় 1 ঘণ্টা 30 মিনিট।
ভুল উত্তরে কত নম্বর কাটা যায়?
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য 0.25 নম্বর কাটা যায়, তাই না জানলে অনুমানে উত্তর দেওয়ার আগে ভেবে নিন।
জেনারেল স্টাডিজের সিলেবাসে কী আছে?
দৈনন্দিন পর্যবেক্ষণ ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান, ভারতের প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনা ও সমস্যা, প্রাথমিক ভারতীয় ইতিহাস ও ভারতের ভূগোল।

Leave a Comment
Commenting as ·