এই প্রশ্ন আগে পরীক্ষায় এসেছে:
PSC Miscellaneous Prelims 2018
উত্তর
১৯৩৮
ব্যাখ্যা
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ১৯৩৮ সালে গুজরাটের হরিপুরায় অনুষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ৫১তম অধিবেশনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবার কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৩৯ সালে মধ্যপ্রদেশের ত্রিপুরী অধিবেশনে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সমর্থিত প্রার্থী পট্টভি সীতারামাইয়াকে পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের জন্য কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন, কিন্তু পরে গান্ধীর সাথে মতবিরোধের জেরে তিনি পদত্যাগ করেন।
মূল পয়েন্ট
- > সুভাষচন্দ্র বসু প্রথমবার কংগ্রেস সভাপতি হন ১৯৩৮ সালের হরিপুরা অধিবেশনে।
- > এই অধিবেশনে জওহরলাল নেহেরুর সভাপতিত্বে 'জাতীয় পরিকল্পনা কমিটি' (National Planning Committee) গঠিত হয়েছিল।
- > ১৯৩৯ সালের ত্রিপুরী অধিবেশনে তিনি দ্বিতীয়বার সভাপতি হন।
- > ১৯৩৯ সালে তিনি পট্টভি সীতারামাইয়াকে হারিয়েছিলেন।
- > কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর ১৯৩৯ সালে তিনি 'ফরওয়ার্ড ব্লক' (Forward Bloc) দল গঠন করেন।
- > সুভাষচন্দ্র বসুকে 'নেতাজি' উপাধি দিয়েছিলেন জার্মানির সাধারণ মানুষ ও এডলফ হিটলার (মতান্তরে)।
- > তাঁর বিখ্যাত উক্তি: 'তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেবো'।
অতিরিক্ত তথ্য
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন
| সাল | স্থান | সভাপতি | বিশেষত্ব |
|---|---|---|---|
| ১৯২৪ | বেলগাঁও | মহাত্মা গান্ধী | গান্ধীজির সভাপতিত্ব করা একমাত্র অধিবেশন |
| ১৯২৯ | লাহোর | জওহরলাল নেহেরু | 'পূর্ণ স্বরাজ'-এর প্রস্তাব গ্রহণ |
| ১৯৩১ | করাচি | সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল | মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত প্রস্তাব পাস |
| ১৯৩৮ | হরিপুরা | সুভাষ চন্দ্র বসু | জাতীয় পরিকল্পনা কমিটি গঠন |
| ১৯৩৯ | ত্রিপুরী | সুভাষ চন্দ্র বসু | সীতারামাইয়াকে পরাজয় ও পরে ইস্তফা |
মনে রাখার টিপস
- HT (হরিপুরা-ত্রিপুরী): সুভাষচন্দ্র বসু পর পর দুবার সভাপতি হন- প্রথমে H (Haripura 1938), তারপর T (Tripuri 1939)।
