ভারতের ইতিহাস কুইজ: মিশ্র প্রশ্ন (WBPSC ক্লার্কশিপ 2024)
ভারতের ইতিহাস কুইজ: মিশ্র প্রশ্ন (WBPSC ক্লার্কশিপ 2024)
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-1-এর সাধারণ জ্ঞান অংশের সিলেবাসে "প্রাথমিক ভারতীয় ইতিহাস" আছে। এই কুইজে সিন্ধু সভ্যতা থেকে ভারতের জাতীয় আন্দোলন পর্যন্ত 20টি মিশ্র প্রশ্ন দেওয়া হল। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। শেষে ব্যাখ্যা দেখে ভুল উত্তরগুলো আবার পড়ে নিন। পরীক্ষার প্রস্তুতির পুরো ছক পেতে পড়ুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা এবং আবেদনের নিয়ম জানতে আবেদন গাইড।
সিন্ধু সভ্যতার বন্দর-নগর লোথাল বর্তমানে কোন রাজ্যে অবস্থিত?
লোথাল গুজরাটের আহমেদাবাদ জেলায়, যেখানে প্রাচীন জাহাজঘাটা (ডক) পাওয়া গেছে। রাজস্থান বলা ভুল, কারণ রাজস্থানের নামকরা সিন্ধু-স্থল কালিবঙ্গান। হরিয়ানার রাখিগড়ি সবচেয়ে বড় স্থলগুলির একটি, কিন্তু বন্দর নয়। পাঞ্জাবের হরপ্পা এখন পাকিস্তানে।
- > লোথাল: গুজরাট, জাহাজঘাটা (ডক)
- > কালিবঙ্গান: রাজস্থান
- > রাখিগড়ি: হরিয়ানা
- > কালিবঙ্গান (রাজস্থান) ও রাখিগড়ি (হরিয়ানা) সিন্ধু সভ্যতার বিখ্যাত স্থল, কিন্তু বন্দর-নগর নয়
- > লোথাল = জাহাজঘাটা, গুজরাটে
| স্থল | রাজ্য | বিশেষত্ব |
|---|---|---|
| লোথাল | গুজরাট | জাহাজঘাটা (ডক) |
| কালিবঙ্গান | রাজস্থান | চিহ্নিত লাঙলরেখা |
| রাখিগড়ি | হরিয়ানা | বৃহত্তম স্থলগুলির একটি |
| ধোলাভিরা | গুজরাট | জলসংরক্ষণ ব্যবস্থা |
মহেঞ্জোদারোর খননকাজে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কে?
1922 সালে রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় মহেঞ্জোদারোর খনন করেন। হরপ্পার খনন শুরু করেন দয়ারাম সাহানি (1921), তাই তাঁকে বেছে নিলে মহেঞ্জোদারোর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা হয়। জন মার্শাল তখন ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব সর্বেক্ষণের মহানির্দেশক, তিনি তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। কানিংহাম সর্বেক্ষণের প্রথম প্রধান, এই খননের অনেক আগের মানুষ।
- > হরপ্পা: দয়ারাম সাহানি (1921)
- > মহেঞ্জোদারো: রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় (1922)
- > জন মার্শাল: মহানির্দেশক, ASI
- > হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর খননকারী আলাদা; দুটি নাম উল্টে ফেলা সবচেয়ে বড় ফাঁদ
- > হরপ্পা = সাহানি; মহেঞ্জোদারো = রাখালদাস
| স্থল | খননকারী | সাল |
|---|---|---|
| হরপ্পা | দয়ারাম সাহানি | 1921 |
| মহেঞ্জোদারো | রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় | 1922 |
| চানহুদারো | এন. জি. মজুমদার | 1931 |
ঋগ্বেদ কয়টি মণ্ডলে বিভক্ত?
ঋগ্বেদে মোট 10টি মণ্ডল এবং প্রায় 1028টি সূক্ত আছে। 8 বা 9 বা 12 নয়; 9টি মণ্ডল গুলিয়ে ফেলা হয় কারণ নবম মণ্ডল সম্পূর্ণ সোম দেবতার স্তুতি। 2য় থেকে 7ম মণ্ডলকে প্রাচীনতম অংশ (পারিবারিক মণ্ডল) ধরা হয়, আর 1ম ও 10ম মণ্ডল পরে যুক্ত হয়েছে।
- > ঋগ্বেদ = 10 মণ্ডল, প্রায় 1028 সূক্ত
- > 2য়–7ম মণ্ডল সবচেয়ে প্রাচীন
- > 9ম মণ্ডল: সোম; 10ম মণ্ডলে পুরুষসূক্ত (বর্ণব্যবস্থার প্রথম উল্লেখ)
- > 9ম মণ্ডলের সোম-স্তুতি দেখে সংখ্যা 9 ভাবা ভুল
- > ঋগ্বেদ = দশ দিক = 10 মণ্ডল
জৈনধর্মের 24তম এবং শেষ তীর্থঙ্কর কে?
মহাবীর (বর্ধমান) জৈনধর্মের 24তম ও শেষ তীর্থঙ্কর। পার্শ্বনাথ 23তম, তাই তিনি শেষ নন। ঋষভনাথ (আদিনাথ) প্রথম তীর্থঙ্কর। নেমিনাথ 22তম তীর্থঙ্কর, তাঁকে কৃষ্ণের আত্মীয় বলা হয়।
- > 1ম: ঋষভনাথ
- > 22তম: নেমিনাথ
- > 23তম: পার্শ্বনাথ
- > 24তম: মহাবীর
- > পার্শ্বনাথ ঐতিহাসিকভাবে প্রথম প্রমাণিত তীর্থঙ্কর, কিন্তু শেষ নন
- > শেষ চার: 22 নেমি, 23 পার্শ্ব, 24 মহাবীর
| ক্রম | তীর্থঙ্কর | চিহ্ন |
|---|---|---|
| 1ম | ঋষভনাথ | ষাঁড় |
| 22তম | নেমিনাথ | শঙ্খ |
| 23তম | পার্শ্বনাথ | সাপ |
| 24তম | মহাবীর | সিংহ |
গৌতম বুদ্ধ তাঁর প্রথম উপদেশ (ধর্মচক্রপ্রবর্তন) কোথায় দিয়েছিলেন?
বুদ্ধ সারনাথে (ঋষিপত্তন) পাঁচ শিষ্যকে প্রথম উপদেশ দেন, একে ধর্মচক্রপ্রবর্তন বলে। বোধগয়ায় তিনি জ্ঞানলাভ করেছিলেন, উপদেশ দেননি। লুম্বিনী তাঁর জন্মস্থান এবং কুশীনগরে মহাপরিনির্বাণ হয়।
- > জন্ম: লুম্বিনী
- > জ্ঞান: বোধগয়া
- > প্রথম উপদেশ: সারনাথ
- > মহাপরিনির্বাণ: কুশীনগর
- > বোধগয়া বিখ্যাত বলে অনেকেই প্রথম উপদেশের স্থান বোধগয়া ভাবেন
- > জ-জ-উ-নি: জন্ম, জ্ঞান, উপদেশ, নির্বাণ = লুম্বিনী, বোধগয়া, সারনাথ, কুশীনগর
| ঘটনা | স্থান |
|---|---|
| জন্ম | লুম্বিনী |
| জ্ঞানলাভ | বোধগয়া |
| প্রথম উপদেশ | সারনাথ |
| মহাপরিনির্বাণ | কুশীনগর |
কলিঙ্গ যুদ্ধ (যার পর অশোক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন) আনুমানিক কত খ্রিস্টপূর্বাব্দে হয়েছিল?
অশোকের রাজত্বের অষ্টম বছরে, আনুমানিক 261 খ্রিস্টপূর্বাব্দে কলিঙ্গ যুদ্ধ হয়। 321 খ্রি.পূ. মৌর্য সাম্রাজ্যের শুরু, 326 খ্রি.পূ. আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণ এবং 185 খ্রি.পূ. মৌর্য বংশের পতন, তাই এগুলি ভুল বিকল্প। যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে অশোক বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন; ত্রয়োদশ গিরিলিপিতে এর বিবরণ আছে।
- > কলিঙ্গ যুদ্ধ ≈ 261 খ্রি.পূ.
- > মৌর্য সাম্রাজ্যের শুরু ≈ 321 খ্রি.পূ.
- > ত্রয়োদশ গিরিলিপিতে কলিঙ্গ যুদ্ধের কথা
- > 321, 326 ও 261 কাছাকাছি সংখ্যা; ঘটনার সঙ্গে সালের জোড় গুলিয়ে ফেলা সহজ
- > 261: দুই-ছয়-এক, অশোকের এক যুদ্ধ

| ঘটনা | খ্রি.পূ. |
|---|---|
| আলেকজান্ডারের আক্রমণ | 326 |
| মৌর্য সাম্রাজ্যের শুরু | 321 |
| কলিঙ্গ যুদ্ধ | 261 |
| মৌর্য বংশের পতন | 185 |
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের দরবারে সেলুকাসের দূত হিসেবে এসেছিলেন কে?
মেগাস্থিনিস সেলুকাসের দূত হিসেবে চন্দ্রগুপ্তের পাটলিপুত্র দরবারে আসেন এবং "ইন্ডিকা" গ্রন্থে মৌর্য শাসনের বিবরণ লেখেন। ফা-হিয়েন, হিউয়েন সাঙ ও ইতসিং চিনা তীর্থযাত্রী, তাঁরা গুপ্ত ও হর্ষবর্ধনের যুগে ভারতে এসেছিলেন, অর্থাৎ অনেক পরে।
- > মেগাস্থিনিস = গ্রিক দূত, গ্রন্থ "ইন্ডিকা"
- > ফা-হিয়েন: দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময়
- > হিউয়েন সাঙ: হর্ষবর্ধনের সময়
- > চিনা পর্যটকদের নাম পরিচিত বলে গ্রিক দূতকে আলাদা করা কঠিন হয়
- > মেগা-স্থিনিস = ইন্ডিকা
| পর্যটক | দেশ | যুগ |
|---|---|---|
| মেগাস্থিনিস | গ্রিস | চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য |
| ফা-হিয়েন | চিন | দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত (গুপ্ত) |
| হিউয়েন সাঙ | চিন | হর্ষবর্ধন |
| ইতসিং | চিন | গুপ্ত-পরবর্তী (7ম শতক) |
"অর্থশাস্ত্র" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
অর্থশাস্ত্র কৌটিল্যের (চাণক্য, বিষ্ণুগুপ্ত) রচনা, যা রাষ্ট্রনীতি ও শাসনব্যবস্থার গ্রন্থ। বিশাখদত্ত লিখেছেন নাটক "মুদ্রারাক্ষস", কালিদাস "অভিজ্ঞানশকুন্তলম্" এবং বাণভট্ট "হর্ষচরিত"। চারটি নামই লেখক, কিন্তু রচনা আলাদা, তাই গ্রন্থ-লেখক জোড় মনে রাখা জরুরি।
- > অর্থশাস্ত্র = কৌটিল্য (চাণক্য)
- > মুদ্রারাক্ষস = বিশাখদত্ত
- > অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ = কালিদাস
- > হর্ষচরিত = বাণভট্ট
- > মুদ্রারাক্ষসেও চাণক্য নায়ক, তাই বিশাখদত্তকে অর্থশাস্ত্রের লেখক ভাবার ভুল হয়
- > অর্থ + নীতি = কৌটিল্য
| গ্রন্থ | লেখক |
|---|---|
| অর্থশাস্ত্র | কৌটিল্য |
| মুদ্রারাক্ষস | বিশাখদত্ত |
| অভিজ্ঞানশকুন্তলম্ | কালিদাস |
| হর্ষচরিত | বাণভট্ট |
ইতিহাসবিদ ভিনসেন্ট স্মিথ গুপ্ত সম্রাট কাকে "ভারতের নেপোলিয়ন" বলেছিলেন?
ইতিহাসবিদ ভিনসেন্ট স্মিথ সমুদ্রগুপ্তকে তাঁর দিগ্বিজয় ও যুদ্ধজয়ের জন্য "ভারতের নেপোলিয়ন" বলেন। তাঁর কীর্তি এলাহাবাদ প্রশস্তিতে (রচয়িতা হরিষেণ) লেখা আছে। প্রথম চন্দ্রগুপ্ত গুপ্ত সাম্রাজ্যের ভিত গড়েন, স্কন্দগুপ্ত হূণ আক্রমণ ঠেকান এবং কুমারগুপ্ত শান্তির শাসক ছিলেন, তাই তাঁরা এই উপাধি পাননি।
- > সমুদ্রগুপ্ত = "ভারতের নেপোলিয়ন"
- > এলাহাবাদ প্রশস্তি: হরিষেণ
- > প্রথম চন্দ্রগুপ্ত: গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা-শাসক
- > প্রথম চন্দ্রগুপ্ত সম্রাট পদবি নেন, কিন্তু বিজয়ের খ্যাতি তাঁর পুত্রের
- > সমুদ্র = সমুদ্র পর্যন্ত জয় = নেপোলিয়ন
দিল্লি সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা কে?
1206 সালে কুতুবউদ্দিন আইবক দিল্লি সালতানাত (দাস বংশ) প্রতিষ্ঠা করেন। ইলতুতমিশ তাঁর পরবর্তী শক্তিশালী শাসক, যিনি সালতানাতকে সুদৃঢ় করেন, প্রতিষ্ঠা করেননি। বলবন ও আলাউদ্দিন খলজি আরও পরের শাসক।
- > 1206: কুতুবউদ্দিন আইবক, দাস বংশ
- > ইলতুতমিশ: সালতানাতের প্রকৃত সংগঠক
- > খলজি বংশ: 1290
- > ইলতুতমিশকে অনেকে প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলেন, কিন্তু প্রথম সুলতান আইবক
- > 1206 = আইবক
| বংশ | প্রথম শাসক | সাল |
|---|---|---|
| দাস | কুতুবউদ্দিন আইবক | 1206 |
| খলজি | জালালউদ্দিন খলজি | 1290 |
| তুঘলক | গিয়াসউদ্দিন তুঘলক | 1320 |
| সৈয়দ | খিজির খান | 1414 |
| লোদি | বহলুল লোদি | 1451 |
রাজধানী দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কোন সুলতান?
মুহম্মদ বিন তুঘলক রাজধানী দিল্লি থেকে দেবগিরিতে (নাম বদলে দৌলতাবাদ) নিয়ে যান, কিন্তু পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। তিনি তামা-পিতলের প্রতীক মুদ্রাও চালু করেছিলেন। ফিরোজ শাহ তুঘলক খাল ও জনকল্যাণের জন্য পরিচিত, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বংশের প্রতিষ্ঠাতা এবং আলাউদ্দিন খলজি বাজারদর নিয়ন্ত্রণের জন্য বিখ্যাত।
- > রাজধানী পরিবর্তন: দিল্লি → দৌলতাবাদ (দেবগিরি)
- > প্রতীক মুদ্রা: মুহম্মদ বিন তুঘলক
- > আলাউদ্দিন খলজি: বাজারদর নিয়ন্ত্রণ
- > তুঘলক বংশের তিন সুলতানের কাজ গুলিয়ে ফেলা সহজ
- > দৌলতাবাদ + প্রতীক মুদ্রা = মুহম্মদ বিন তুঘলক
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি) কত সালে হয়েছিল?
1526 সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর ইব্রাহিম লোদিকে হারিয়ে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত গড়েন। 1527 সালে খানুয়ার যুদ্ধ হয় রানা সঙ্গের বিরুদ্ধে, তাই সেটি ভুল বিকল্প। 1556 ও 1761 হল যথাক্রমে পানিপথের দ্বিতীয় ও তৃতীয় যুদ্ধের সাল।
- > পানিপথ-1: 1526 (বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি)
- > পানিপথ-2: 1556 (আকবর বনাম হেমু)
- > পানিপথ-3: 1761 (মারাঠা বনাম আবদালি)
- > 1526 ও 1527 পাশাপাশি; খানুয়া পানিপথের ঠিক পরের বছর
- > পানিপথ: 26, 56, 61
| যুদ্ধ | সাল | পক্ষ |
|---|---|---|
| পানিপথের প্রথম | 1526 | বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি |
| খানুয়া | 1527 | বাবর বনাম রানা সঙ্গ |
| পানিপথের দ্বিতীয় | 1556 | আকবর (বৈরাম খান) বনাম হেমু |
| পানিপথের তৃতীয় | 1761 | মারাঠা বনাম আহমদ শাহ আবদালি |
1576 সালের হলদিঘাটির যুদ্ধে আকবরের বাহিনীর বিরুদ্ধে কে লড়েছিলেন?
মেবারের মহারানা প্রতাপ 1576 সালে হলদিঘাটিতে মুঘল বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়েন, মুঘল সেনাপতি ছিলেন মান সিং। রানা সঙ্গ লড়েছিলেন বাবরের সঙ্গে খানুয়ায় (1527), তাই তিনি ভুল উত্তর। হেমু লড়েছিলেন দ্বিতীয় পানিপথে (1556) এবং শিবাজি সতেরো শতকের মারাঠা নেতা।
- > হলদিঘাটি 1576: মহারানা প্রতাপ
- > রানা সঙ্গ: খানুয়া 1527
- > হেমু: দ্বিতীয় পানিপথ 1556
- > মেবারের দুই রানা, সঙ্গ ও প্রতাপ, আলাদা শতকের
- > হলদিঘাটির হলুদ মাটিতে প্রতাপ
"রুপিয়া" নামে রুপোর মুদ্রা চালু করেন কোন শাসক?
শেরশাহ সুরি রুপোর "রুপিয়া" এবং তামার "দাম" মুদ্রা চালু করেন। তিনি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডও সংস্কার করেন। আলাউদ্দিন খলজি বাজারদর বেঁধে দিয়েছিলেন, আকবর মনসবদারি ব্যবস্থার জন্য পরিচিত এবং হুমায়ুন শেরশাহের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।
- > রুপিয়া (রুপো) ও দাম (তামা): শেরশাহ
- > গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড সংস্কার
- > আকবর: মনসবদারি
- > আকবরের মুদ্রা বিখ্যাত বলে তাঁকে বেছে নেওয়া ভুল; রুপিয়ার প্রবর্তক শেরশাহ
- > শেরশাহ = রুপিয়া + GT রোড
পলাশির যুদ্ধ (সিরাজউদ্দৌলা বনাম ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি) কোন সালে হয়েছিল?
পলাশির যুদ্ধ হয় 1757 সালের 23 জুন; কোম্পানির নেতৃত্বে ছিলেন রবার্ট ক্লাইভ এবং মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় সিরাজউদ্দৌলা হারেন। 1764 সালে বক্সারের যুদ্ধ হয়, যা কোম্পানির ক্ষমতা পাকা করে। 1756 সালে সিরাজ কলকাতা দখল করেছিলেন, আর 1772 সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দায়িত্ব নেন।
- > পলাশি: 23 জুন 1757
- > বক্সার: 1764
- > 1765: দেওয়ানি লাভ
- > 1756 (কলকাতা দখল) ও 1757 পাশাপাশি, তাই সাল গুলিয়ে ফেলা সহজ
- > পলাশি 57, বক্সার 64
| ঘটনা | সাল |
|---|---|
| সিরাজের কলকাতা দখল | 1756 |
| পলাশির যুদ্ধ | 1757 |
| বক্সারের যুদ্ধ | 1764 |
| বাংলার দেওয়ানি লাভ | 1765 |
| ওয়ারেন হেস্টিংস গভর্নর | 1772 |
1857 সালের মহাবিদ্রোহ 10 মে কোথায় শুরু হয়?
1857 সালের 10 মে মীরাটের সিপাহিরা বিদ্রোহ করে দিল্লির দিকে রওনা দেয়, তাই মহাবিদ্রোহের সূচনা মীরাটে। ব্যারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডের ঘটনা তার আগে, মার্চ মাসে ঘটেছিল, কিন্তু সেটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। দিল্লি ছিল বিদ্রোহের প্রধান কেন্দ্র, সূচনার স্থান নয়। কানপুরে নানা সাহেব নেতৃত্ব দেন।
- > 10 মে 1857: মীরাট
- > মঙ্গল পাণ্ডে: ব্যারাকপুর, মার্চ 1857
- > দিল্লি: নেতা বাহাদুর শাহ জাফর
- > ব্যারাকপুর আগে ঘটলেও মহাবিদ্রোহের সূচনার তারিখ ও স্থান মীরাট
- > মে মাসে মীরাট
| কেন্দ্র | নেতা |
|---|---|
| দিল্লি | বাহাদুর শাহ জাফর, বখত খান |
| কানপুর | নানা সাহেব, তাঁতিয়া তোপি |
| ঝাঁসি | রানি লক্ষ্মীবাই |
| লখনউ | বেগম হজরত মহল |
1885 সালে প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?
প্রথম অধিবেশন (বোম্বাই, ডিসেম্বর 1885) সভাপতি ছিলেন উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় (ডব্লিউ. সি. ব্যানার্জি)। এ. ও. হিউম ছিলেন প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ও প্রথম সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি নন। দাদাভাই নওরোজি তিনবার সভাপতি হন, প্রথমবার 1886 সালে। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় 1895 সালে সভাপতি হন।
- > 1885: প্রথম সভাপতি ডব্লিউ. সি. ব্যানার্জি
- > হিউম: প্রথম সাধারণ সম্পাদক
- > দাদাভাই নওরোজি: 1886, 1893, 1906
- > হিউম প্রতিষ্ঠাতা বলে অনেকে তাঁকে প্রথম সভাপতি ভাবেন
- > প্রথম সভাপতি = প্রথম বাঙালি = উমেশচন্দ্র
1905 সালে বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন কোন ভাইসরয়?
লর্ড কার্জনের আমলে 1905 সালের 16 অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়। প্রবল স্বদেশি আন্দোলনের পর 1911 সালে তা রদ করা হয়, তখন ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ। রিপন (1880–84) স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জন্য, ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতির জন্য এবং বেন্টিঙ্ক সতীদাহ নিষিদ্ধের জন্য পরিচিত।
- > বঙ্গভঙ্গ: কার্জন, 1905
- > রদ: 1911, হার্ডিঞ্জ
- > সতীদাহ নিষিদ্ধ: বেন্টিঙ্ক, 1829
- > ডালহৌসি ও রিপনের কাজ বাংলার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়
- > কার্জন কেটেছিলেন বাংলা

| ভাইসরয়/গভর্নর-জেনারেল | বিখ্যাত কাজ |
|---|---|
| লর্ড বেন্টিঙ্ক | সতীদাহ নিষিদ্ধ (1829) |
| লর্ড ডালহৌসি | স্বত্ববিলোপ নীতি, রেলপথ |
| লর্ড রিপন | স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন (1882) |
| লর্ড কার্জন | বঙ্গভঙ্গ (1905) |
অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড কোন সালে ঘটে?
1919 সালের 13 এপ্রিল জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগে নিরস্ত্র জনতার ওপর গুলি চলে। ঘটনাটি রাওলাট আইনের প্রতিবাদে সমাবেশের সময় ঘটে। 1917 সালে চম্পারন সত্যাগ্রহ হয় এবং 1920 সালে গান্ধিজি অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন; 1918 সালে খেদা সত্যাগ্রহ ছিল।
- > জালিয়ানওয়ালাবাগ: 13 এপ্রিল 1919
- > রাওলাট আইন: 1919
- > অসহযোগ আন্দোলন: 1920
- > 1919 ও 1920 পাশাপাশি; হত্যাকাণ্ড অসহযোগের আগে
- > উনিশের তেরো (19–13 এপ্রিল)
| ঘটনা | সাল |
|---|---|
| চম্পারন সত্যাগ্রহ | 1917 |
| খেদা সত্যাগ্রহ | 1918 |
| জালিয়ানওয়ালাবাগ | 1919 |
| অসহযোগ আন্দোলন | 1920 |
1930 সালে লবণ আইন ভাঙার জন্য গান্ধিজির পদযাত্রা কোথায় শেষ হয়?
গান্ধিজি সবরমতী আশ্রম থেকে পদযাত্রা শুরু করে গুজরাটের ডান্ডিতে পৌঁছে লবণ আইন ভাঙেন (6 এপ্রিল 1930), যা আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা। সবরমতী ছিল যাত্রার শুরু, শেষ নয়। চম্পারন (1917) ও বারদৌলি (1928) অন্য আন্দোলনের স্থান।
- > ডান্ডি অভিযান: 12 মার্চ – 6 এপ্রিল 1930
- > শুরু: সবরমতী; শেষ: ডান্ডি
- > আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা
- > সবরমতী বিখ্যাত আশ্রম, কিন্তু সেটি যাত্রার শুরু, শেষ নয়
- > ডান্ডি = দণ্ডে লবণ তোলা
| স্থান | আন্দোলন | সাল |
|---|---|---|
| চম্পারন | নীল চাষিদের সত্যাগ্রহ | 1917 |
| বারদৌলি | কর-বিরোধী সত্যাগ্রহ | 1928 |
| ডান্ডি | লবণ সত্যাগ্রহ | 1930 |
📊 বিষয় বিশ্লেষণ
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-1-এর সাধারণ জ্ঞান অংশের সিলেবাসে "প্রাথমিক ভারতীয় ইতিহাস" আছে। এই কুইজে সিন্ধু সভ্যতা থেকে ভারতের জাতীয় আন্দোলন পর্যন্ত 20টি মিশ্র প্রশ্ন দেওয়া হল।
প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। শেষে ব্যাখ্যা দেখে ভুল উত্তরগুলো আবার পড়ে নিন।
পরীক্ষার প্রস্তুতির পুরো ছক পেতে পড়ুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা এবং আবেদনের নিয়ম জানতে আবেদন গাইড।

Leave a Comment
Commenting as ·