ভারতের ইতিহাস মিশ্র কুইজ 2: সুলতানি থেকে ভারত ছাড়ো, WBPSC ক্লার্কশিপ GK
একটু অনুশীলন, আরও এক ধাপ এগিয়ে।
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024-এর Part-I-এর সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রাথমিক ভারতের ইতিহাস সিলেবাসের অংশ। এই কুইজে 20টি প্রশ্ন আছে দিল্লি সুলতানি, মুঘল যুগ, ব্রিটিশ শাসনের সূচনা, 1857 এবং জাতীয় আন্দোলন থেকে; আগের ইতিহাস-কুইজগুলোর (সিন্ধু সভ্যতা, বৈদিক যুগ) থেকে আলাদা অংশ। প্রতিটি প্রশ্নে 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মনে রাখার কৌশল ও ভুলের ফাঁদ দেখুন; কিছু প্রশ্নে "অতিরিক্ত তথ্য"-র সারণিও আছে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়, তাই অনুমানে না গিয়ে নিশ্চিত হয়ে উত্তর দেওয়ার অভ্যাস করুন। পুরো…
দিল্লি সুলতানির দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
কুতুবুদ্দিন আইবক 1206 সালে লাহোরে ক্ষমতা নিয়ে দাস বংশের (মামলুক বংশ) প্রতিষ্ঠা করেন। ইলতুতমিশ তাঁর জামাতা ও উত্তরসূরি, বংশটিকে দিল্লিতে সুদৃঢ় করেন। বলবন এই বংশেরই পরের শাসক, আর আলাউদ্দিন খলজি অন্য বংশের (খলজি) সুলতান।
- দাস বংশের শুরু 1206 সালে
- আইবকের রাজত্ব প্রায় 1206–1210
- রাজধানী প্রথমে লাহোর, পরে দিল্লি
- ইলতুতমিশকে অনেকে প্রতিষ্ঠাতা ভাবেন; তিনি বংশটিকে সুসংহত করেছিলেন, শুরু করেননি
- আইবক = আদি (প্রথম) সুলতান, তাই "আ" দিয়ে আগে
| শাসক | রাজত্বকাল (প্রায়) |
|---|---|
| কুতুবুদ্দিন আইবক | 1206–1210 |
| ইলতুতমিশ | 1211–1236 |
| রাজিয়া সুলতানা | 1236–1240 |
| গিয়াসুদ্দিন বলবন | 1266–1287 |
কুতুব মিনারের নির্মাণ কার হাতে সম্পূর্ণ হয়?
কুতুব মিনারের কাজ শুরু করেন কুতুবুদ্দিন আইবক, কিন্তু তিনি কয়েকটি তলা মাত্র গড়তে পারেন। বাকি অংশ গড়ে মিনারটি সম্পূর্ণ করেন ইলতুতমিশ। পরে ফিরোজ শাহ তুঘলক উপরের কিছু তলা মেরামত ও যোগ করেন, কিন্তু সম্পূর্ণ করার কৃতিত্ব ইলতুতমিশের।
- শুরু করেন আইবক, শেষ করেন ইলতুতমিশ
- এটি দিল্লির মেহরৌলিতে
- নামের মিল দেখে আইবককেই নির্মাতা ভাবা ভুল
- শুরু = আইবক, শেষ = ইলতুতমিশ
ঘোড়াকে চিহ্নিত করার "দাগ" প্রথা এবং সৈন্যদের "হুলিয়া" (বিবরণ) নথিভুক্ত করার প্রথা কে চালু করেন?
আলাউদ্দিন খলজি বিশাল স্থায়ী সেনাবাহিনী রাখতেন এবং তার দক্ষতা বজায় রাখতে ঘোড়ায় দাগ দেওয়া ও সৈন্যের হুলিয়া লিখে রাখার ব্যবস্থা চালু করেন। এর সঙ্গে তিনি দ্রব্যমূল্য বেঁধে দিয়ে বাজার-নিয়ন্ত্রণও করেন। তুঘলক বা লোদি সুলতানদের নামে এই প্রথা প্রচলিত নয়।
- দাগ ও হুলিয়া = সেনা সংস্কার
- বাজার-নিয়ন্ত্রণ ও মূল্য বাঁধা তাঁর আরেক কীর্তি
- রাজত্বকাল প্রায় 1296–1316
- মুহম্মদ বিন তুঘলকের নাম আসে টোকেন মুদ্রা ও রাজধানী বদলের সঙ্গে, সেনা সংস্কারে নয়
- খলজি = দাগ + হুলিয়া
মুহম্মদ বিন তুঘলক 1327 সালে রাজধানী দিল্লি থেকে কোথায় সরিয়ে নেন?
মুহম্মদ বিন তুঘলক দাক্ষিণাত্যে শাসন সুদৃঢ় করতে রাজধানী দিল্লি থেকে দেবগিরিতে সরান এবং তার নাম রাখেন দৌলতাবাদ। কয়েক বছর পরে এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় ও রাজধানী ফিরে আসে। আগ্রায় রাজধানী নেন লোদিরা (সিকন্দর লোদি), আর ফতেহপুর সিক্রি আকবরের গড়া।
- দেবগিরির নতুন নাম দৌলতাবাদ
- রাজধানী বদল 1327
- টোকেন (তামার) মুদ্রাও তাঁর পরিকল্পনা
- ফতেহপুর সিক্রি আকবরের, মুহম্মদ বিন তুঘলকের নয়
- তুঘলক = দিল্লি → দৌলতাবাদ
| পরিকল্পনা | সময় (প্রায়) | ফল |
|---|---|---|
| রাজধানী বদল (দিল্লি → দৌলতাবাদ) | 1327 | ব্যর্থ, ফিরে আসা |
| টোকেন মুদ্রা (তামা/ব্রোঞ্জ) | 1329–1330 | জাল মুদ্রায় সংকট, তুলে নেওয়া |
| দোয়াবে কর বৃদ্ধি | 1326–1327 | দুর্ভিক্ষে কৃষকের কষ্ট |
প্রথম পানিপথের যুদ্ধ (1526) কাদের মধ্যে হয়?
1526 সালে বাবর পানিপথে ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করেন এবং ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত গড়েন। আকবর ও হেমুর লড়াই হয় 1556-র দ্বিতীয় যুদ্ধে। আবদালি ও মারাঠাদের সংঘর্ষ 1761-র তৃতীয় যুদ্ধে। শেরশাহ ও হুমায়ুনের যুদ্ধ চৌসা (1539) ও কনৌজে (1540)।
- 1526: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি
- বাবর কামান ও তুলুগমা রণকৌশল কাজে লাগান
- লোদি বংশের অবসান, মুঘল যুগের শুরু
- তিনটি পানিপথের যুদ্ধের পক্ষ গুলিয়ে ফেলা
- পানিপথ 1526, 1556, 1761: "পনেরোশো ছাব্বিশ, ছাপ্পান্ন, একষট্টি"
| যুদ্ধ | সাল | পক্ষ |
|---|---|---|
| প্রথম পানিপথ | 1526 | বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদি |
| দ্বিতীয় পানিপথ | 1556 | আকবরের সেনা (বৈরাম খাঁ) বনাম হেমু |
| তৃতীয় পানিপথ | 1761 | মারাঠা বনাম আহমদ শাহ আবদালি |
আকবর কোন বছর "দীন-ই-ইলাহি" মতবাদ প্রবর্তন করেন?
আকবর বিভিন্ন ধর্মের সারকথা মিলিয়ে 1582 সালে দীন-ই-ইলাহি নামে এক নৈতিক আদর্শ চালু করেন; এটি জোর করে চাপানো ধর্ম ছিল না, অল্প কয়েকজনই তা গ্রহণ করেছিলেন। 1556 তাঁর সিংহাসনে বসার ও দ্বিতীয় পানিপথের বছর, 1605 তাঁর মৃত্যুর বছর, আর 1526 প্রথম পানিপথের।
- দীন-ই-ইলাহি = 1582
- ইবাদতখানা (ফতেহপুর সিক্রি) আগে 1575 সালে গড়া
- আকবরের মৃত্যু 1605
- দীন-ই-ইলাহিকে পুরোদস্তুর নতুন ধর্ম বলা ভুল; এটি ছিল এক আদর্শ বা মতবাদ
- 1582 = দীন-ই-ইলাহি
ভারতে রুপো-র "রুপাইয়া" (রুপি) মুদ্রা কে চালু করেন?
শেরশাহ সুরি (রাজত্ব 1540–1545) খাঁটি রুপোর "রুপাইয়া" মুদ্রা চালু করেন, যা পরবর্তী কালে মুঘলরাও অনুসরণ করে এবং আজকের রুপি নামের উৎস। তিনি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডেরও সংস্কার করেন। আকবর ও জাহাঙ্গির মুঘল শাসক, এবং খলজির মুদ্রা-সংস্কারের খ্যাতি নেই।
- রুপাইয়া = রুপোর মুদ্রা
- সড়ক, সরাই ও ডাক-ব্যবস্থার উন্নতি
- সুর বংশ 1540–1555
- অনেকে ভাবেন মুঘল সম্রাটরা রুপি চালু করেছিলেন; তাঁরা পরে একে চালু রাখেন মাত্র
- শেরশাহ = রুপি + রাস্তা
ছত্রপতি শিবাজির রাজ্যাভিষেক কোথায় হয়েছিল?
শিবাজি 1674 সালে রায়গড় দুর্গে "ছত্রপতি" উপাধি নিয়ে মহাসমারোহে সিংহাসনে বসেন; রায়গড় ছিল তাঁর রাজধানী। পুনেতে তিনি শৈশব কাটান, প্রতাপগড়ে আফজল খাঁকে পরাজিত করেন (1659), আর সিংহগড় তানাজি মালুসরের যুদ্ধের জন্য বিখ্যাত।
- রাজ্যাভিষেক 1674, রায়গড়
- অভিষেকের পুরোহিত গাগা ভট্ট
- রায়গড় = মারাঠা রাজধানী
- প্রতাপগড় আফজল খাঁ-র সঙ্গে সংঘর্ষের স্থান, অভিষেকের নয়
- রা-জ্যাভিষেক = রায়গড়
পলাশীর যুদ্ধ কোন সালে হয়েছিল?
পলাশীর যুদ্ধ হয় 23 জুন 1757, রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও বাংলার নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার মধ্যে; মির জাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাব হেরে যান। 1764 বক্সারের যুদ্ধের এবং 1765 এলাহাবাদের সন্ধির সাল। 1707 ঔরঙ্গজেবের মৃত্যুর বছর।
- পলাশী 23.06.1757
- সিরাজ-উদ-দৌলা বনাম রবার্ট ক্লাইভ
- মির জাফর নবাব হন
- বক্সার (1764) ও পলাশী (1757)-র সাল উল্টে ফেলা
- পলাশী 57, বক্সার 64
| ঘটনা | সাল | ফল |
|---|---|---|
| পলাশীর যুদ্ধ | 1757 | বাংলায় কোম্পানির আধিপত্যের সূচনা |
| বক্সারের যুদ্ধ | 1764 | মির কাসিম, শুজা-উদ-দৌলা ও শাহ আলম পরাজিত |
| এলাহাবাদের সন্ধি | 1765 | বাংলা-বিহার-ওড়িশার দেওয়ানি কোম্পানির হাতে |
1765 সালে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি কে প্রদান করেন?
বক্সারে পরাজয়ের পর মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম 1765 সালের এলাহাবাদের সন্ধিতে রবার্ট ক্লাইভকে বাংলা, বিহার ও ওড়িশার দেওয়ানি (রাজস্ব আদায়ের অধিকার) দেন। সিরাজ-উদ-দৌলা তার আগেই 1757-তে মারা গেছেন। মির জাফর নবাব ছিলেন, সম্রাট নন, আর বাহাদুর শাহ জাফর 1857-র সময়ের সম্রাট।
- দেওয়ানি = রাজস্ব আদায়ের অধিকার
- বাংলায় দ্বৈত শাসন শুরু (1765)
- ক্লাইভ তখন গভর্নর
- বাহাদুর শাহ জাফর শাহ আলমের অনেক পরের সম্রাট
- শাহ আলম = দেওয়ানি দিয়েছিলেন
1793 সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন কে?
লর্ড কর্নওয়ালিস 1793 সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন; এতে জমিদাররা জমির মালিক হন ও কোম্পানিকে নির্দিষ্ট হারে স্থায়ী রাজস্ব দিতে বাধ্য থাকেন। ওয়ারেন হেস্টিংস তার আগের গভর্নর-জেনারেল, ওয়েলেসলি সহায়ক মিত্রতা এবং ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতির জন্য পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত = 1793, বাংলা-বিহার-ওড়িশা
- জমিদারদের রাজস্ব নির্দিষ্ট
- ক্ষতি পড়ে কৃষকদের
- রায়তওয়ারি ও মহলওয়ারির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা
- কর্নওয়ালিস = কর (স্থায়ী)
| ব্যবস্থা | কোথায় | কার সঙ্গে চুক্তি |
|---|---|---|
| চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (1793) | বাংলা, বিহার, ওড়িশা | জমিদার |
| রায়তওয়ারি (টমাস মনরো) | মাদ্রাজ, বোম্বাই | সরাসরি কৃষক (রায়ত) |
| মহলওয়ারি | উত্তর-পশ্চিম প্রদেশ, পাঞ্জাব | গ্রাম বা মহল |
সহায়ক মিত্রতা (Subsidiary Alliance) নীতি চালু করেন কে?
লর্ড ওয়েলেসলি (গভর্নর-জেনারেল 1798–1805) দেশীয় রাজাদের কাছে সহায়ক মিত্রতা প্রস্তাব করেন: তাঁরা কোম্পানির সেনা রাখবেন ও খরচ দেবেন, বদলে সুরক্ষা পাবেন। হায়দরাবাদের নিজাম প্রথম এটি মানেন। স্বত্ববিলোপ নীতি ডালহৌসির, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কর্নওয়ালিসের এবং সতীদাহ-নিষেধ বেন্টিঙ্কের।
- রাজ্যে কোম্পানির সেনা থাকবে, খরচ রাজা দেবেন
- বিদেশি ইউরোপীয় রাখা চলবে না
- হায়দরাবাদ প্রথম, 1798
- স্বত্ববিলোপ (ডালহৌসি) আর সহায়ক মিত্রতা (ওয়েলেসলি) গুলিয়ে ফেলা
- ওয়েলেসলি = সহায়ক মিত্র; ডালহৌসি = স্বত্ববিলোপ
1829 সালে সতীদাহ প্রথা আইনত নিষিদ্ধ করেন কোন গভর্নর-জেনারেল?
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক 1829 সালের 17 নম্বর রেগুলেশনে সতীদাহ নিষিদ্ধ করেন; এর পিছনে রাজা রামমোহন রায়ের দীর্ঘ আন্দোলনের বড় ভূমিকা ছিল। ক্যানিং 1857-র সময়ের গভর্নর-জেনারেল, রিপন স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন-এর জন্য পরিচিত, কর্নওয়ালিস বহু আগের।
- সতীদাহ নিষেধ = 1829
- রামমোহন রায়ের ভূমিকা
- বিধবা বিবাহ আইন 1856 (বিদ্যাসাগরের উদ্যোগ)
- বিধবা বিবাহ আইন (1856, ক্যানিংয়ের সময়) আর সতীদাহ-নিষেধ (1829) আলাদা
- বেন্টিঙ্ক = বন্ধ করলেন সতী
1857-র মহাবিদ্রোহ 10 মে 1857 কোন স্থান থেকে শুরু হয়?
10 মে 1857 মিরাটের সিপাহিরা বিদ্রোহ করে দিল্লির দিকে রওনা দেয় এবং বাহাদুর শাহ জাফরকে নেতা ঘোষণা করে; এটিকেই বিদ্রোহের শুরু ধরা হয়। তার আগে 29 মার্চ ব্যারাকপুরে মঙ্গল পাণ্ডে ঘটনা ঘটান। কানপুর, ঝাঁসি ও লখনউ পরে যোগ দেয়।
- শুরু মিরাট, 10.05.1857
- দিল্লিতে বাহাদুর শাহ জাফর নেতা
- কারণ: এনফিল্ড রাইফেলের টোটা ইত্যাদি
- ব্যারাকপুরের (মার্চ) ঘটনা আর মিরাটের (মে) বিদ্রোহ আলাদা
- মিরাট → দিল্লি
| কেন্দ্র | নেতা |
|---|---|
| দিল্লি | বাহাদুর শাহ জাফর, বখত খাঁ |
| কানপুর | নানা সাহেব, তাঁতিয়া টোপি |
| ঝাঁসি | রানি লক্ষ্মীবাঈ |
| লখনউ | বেগম হজরত মহল |
| জগদীশপুর (বিহার) | কুনওয়ার সিং |
বঙ্গভঙ্গ (1905) ঘোষণা করেন কোন ভাইসরয়?
ভাইসরয় লর্ড কার্জন 1905 সালে বাংলাকে দুই ভাগে ভাগ করেন; 16 অক্টোবর 1905 তা কার্যকর হয়। এর বিরুদ্ধে স্বদেশি ও বয়কট আন্দোলন গড়ে ওঠে। 1911 সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময়ে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়। মিন্টো 1909-র মর্লে-মিন্টো সংস্কারের সঙ্গে যুক্ত।
- বঙ্গভঙ্গ কার্যকর 16.10.1905
- স্বদেশি ও বয়কট আন্দোলন
- রদ 1911
- রদ করেছেন হার্ডিঞ্জ (1911), ভাগ করেছেন কার্জন (1905)
- কার্জন কাটলেন, হার্ডিঞ্জ জুড়লেন
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনের (1885) সভাপতি কে ছিলেন?
1885 সালে বোম্বাইয়ে কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ অফিসার এ. ও. হিউম কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সভাপতি নন। দাদাভাই নৌরজি সভাপতি হন 1886 সালে (দ্বিতীয় অধিবেশন)।
- প্রথম অধিবেশন: বোম্বাই, 1885
- প্রথম সভাপতি: W. C. Bonnerjee
- হিউম = প্রথম সাধারণ সম্পাদক
- হিউমকে প্রথম সভাপতি ভাবা ভুল
- প্রথম সভাপতি বাঙালি, প্রতিষ্ঠার উদ্যোগী ব্রিটিশ
| বছর | অধিবেশন-স্থান | সভাপতি |
|---|---|---|
| 1885 | বোম্বাই | উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় |
| 1886 | কলকাতা | দাদাভাই নৌরজি |
| 1887 | মাদ্রাজ | বদরুদ্দিন তায়েবজি |
| 1917 | কলকাতা | অ্যানি বেসান্ট (প্রথম মহিলা সভাপতি) |
জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড কোন শহরে ঘটেছিল?
13 এপ্রিল 1919 বৈশাখী উৎসবের দিন অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে রাওলাট আইনের প্রতিবাদে জড়ো হওয়া নিরস্ত্র জনতার উপর জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে গুলি চলে। লাহোর পাঞ্জাবের রাজধানী হলেও ঘটনাস্থল অমৃতসর। দিল্লি ও কানপুরে এই ঘটনা ঘটেনি।
- তারিখ 13.04.1919
- জেনারেল ডায়ার
- প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ "নাইটহুড" ত্যাগ করেন
- পাঞ্জাবের রাজধানী লাহোরকে ঘটনাস্থল ভাবা
- জালিয়ানওয়ালা = অমৃতসর = স্বর্ণমন্দিরের শহর
1930 সালে গান্ধিজি লবণ সত্যাগ্রহের জন্য ডান্ডি অভিযান কোথা থেকে শুরু করেন?
12 মার্চ 1930 গান্ধিজি সবরমতী আশ্রম (আহমেদাবাদ) থেকে ডান্ডির উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করেন এবং 6 এপ্রিল ডান্ডিতে লবণ আইন ভাঙেন; এভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা। সেবাগ্রাম তাঁর পরের আশ্রম (ওয়ার্ধা), আর ফিনিক্স ও টলস্টয় ফার্ম দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- শুরু 12.03.1930
- ডান্ডি পৌঁছান 06.04.1930
- প্রায় 240 মাইল পদযাত্রা
- সেবাগ্রাম ও দক্ষিণ আফ্রিকার আশ্রমগুলোকে গুলিয়ে ফেলা
- সবরমতী থেকে ডান্ডি = গুজরাট
| আন্দোলন | সাল | মূল ঘটনা |
|---|---|---|
| অসহযোগ | 1920 | খিলাফত-সহ, বিদেশি পণ্য বর্জন |
| আইন অমান্য | 1930 | ডান্ডি অভিযান, লবণ আইন ভঙ্গ |
| ভারত ছাড়ো | 1942 | "করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে" |
ভারত ছাড়ো আন্দোলনের প্রস্তাব কংগ্রেস কোন স্থানের অধিবেশনে গ্রহণ করে?
8 অগস্ট 1942 বোম্বাইয়ের গোয়ালিয়া ট্যাঙ্ক ময়দানে কংগ্রেস ভারত ছাড়ো প্রস্তাব নেয়; সেখানেই গান্ধিজি "করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে" ডাক দেন। 1929 সালের লাহোর অধিবেশনে পূর্ণ স্বরাজের প্রস্তাব হয়। ওয়ার্ধায় আগে কর্মসমিতির সভা বসেছিল (জুলাই), কিন্তু চূড়ান্ত প্রস্তাব বোম্বাইয়ে।
- প্রস্তাব 08.08.1942
- আন্দোলন শুরু পরদিন 09.08.1942
- নেতারা গ্রেপ্তার হন
- লাহোর (1929, পূর্ণ স্বরাজ) আর বোম্বাই (1942) গুলিয়ে ফেলা
- আগস্ট ক্রান্তি ময়দান = গোয়ালিয়া ট্যাঙ্ক
1932 সালের পুনা চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারায় অনগ্রসর শ্রেণির জন্য পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থার প্রতিবাদে গান্ধিজি যারবেদা জেলে অনশন করেন। ফলে 24 সেপ্টেম্বর 1932 তাঁর ও আম্বেদকরের মধ্যে পুনা চুক্তি হয়: পৃথক নির্বাচনের বদলে সংরক্ষিত আসন, যৌথ নির্বাচনে। নেহরু, জিন্নাহ বা বসুর সঙ্গে এমন চুক্তি হয়নি।
- চুক্তি 24.09.1932
- পৃথক নির্বাচন বাতিল, সংরক্ষিত আসন বহাল
- যারবেদা জেল, পুনা
- গান্ধি-আর্উইন চুক্তি (1931) আর পুনা চুক্তি (1932) আলাদা
- পুনা চুক্তি = গান্ধি + আম্বেদকর
📊 বিষয় বিশ্লেষণ
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024-এর Part-I-এর সাধারণ জ্ঞান অংশে প্রাথমিক ভারতের ইতিহাস সিলেবাসের অংশ। এই কুইজে 20টি প্রশ্ন আছে দিল্লি সুলতানি, মুঘল যুগ, ব্রিটিশ শাসনের সূচনা, 1857 এবং জাতীয় আন্দোলন থেকে; আগের ইতিহাস-কুইজগুলোর (সিন্ধু সভ্যতা, বৈদিক যুগ) থেকে আলাদা অংশ।
প্রতিটি প্রশ্নে 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মনে রাখার কৌশল ও ভুলের ফাঁদ দেখুন; কিছু প্রশ্নে "অতিরিক্ত তথ্য"-র সারণিও আছে। পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়, তাই অনুমানে না গিয়ে নিশ্চিত হয়ে উত্তর দেওয়ার অভ্যাস করুন।
পুরো প্রস্তুতির ছক পেতে দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা এবং আবেদনের নিয়ম জানতে আবেদন গাইড। বৈদিক যুগের নোটস ও কুইজ এখানে।
Table of Contents
সূত্র
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
ক্লার্কশিপ 2024-এর Part-I-এ ইতিহাস থেকে কত প্রশ্ন আসে?
Part-I-এ General Studies অংশে 40টি প্রশ্ন থাকে, তার মধ্যে প্রাথমিক ভারতের ইতিহাস, ভূগোল ও দৈনন্দিন বিজ্ঞান আছে। ইতিহাসের নির্দিষ্ট সংখ্যা বিজ্ঞপ্তিতে বলা নেই।
এই কুইজে ভুল উত্তরে কি নম্বর কাটা যায়?
না, এটি অনুশীলনের কুইজ। তবে আসল পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য 0.25 নম্বর কাটা যায়।
কুইজটি কি English-এও পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, প্রতিটি প্রশ্নে English/বাংলা বোতামে ভাষা বদলানো যায়।

Leave a Comment
Commenting as ·