ভারতের ভূগোল মিশ্র কুইজ 4: নদীর উৎস, বাঁধ, গিরিপথ, দ্বীপ ও খনিজ (ক্লার্কশিপ 2024)
একটু অনুশীলন, আরও এক ধাপ এগিয়ে।
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 Part-I-এর জেনারেল স্টাডিজে ভারতের ভূগোল থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই চতুর্থ পর্বে 20টি নতুন প্রশ্ন: উপদ্বীপের নদীর উৎস, বাঁধ ও জলপ্রপাত, হিমালয়ের গিরিপথ ও হিমবাহ, দ্বীপ ও উপকূল, মাটি, গ্রীষ্মের স্থানীয় বৃষ্টি, জাতীয় উদ্যান, খনিজ এবং সীমানা। প্রতিটি প্রশ্নে 30 সেকেন্ড। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মূল তথ্য আর অতিরিক্ত তথ্যে তুলনার সারণি ও মানচিত্র দেখে নিন। আগের পর্বগুলি: প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়। পুরো প্রস্তুতির জন্য দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা। সূত্র WBPSC, Clerkship Examination 2024: Scheme &…
কোন নদীকে 'বাংলার দুঃখ' বলা হত?
দামোদর ঝাড়খণ্ডের ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে বেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে হুগলি নদীতে মিশেছে। বর্ষায় এর বন্যা বারবার বর্ধমান ও হুগলি অঞ্চল ভাসিয়ে দিত, তাই একে 'বাংলার দুঃখ' বলা হত। কোশি হল 'বিহারের দুঃখ', তিস্তা ও মহানন্দা উত্তরবঙ্গের নদী।
- দামোদরের উৎস ছোটনাগপুর মালভূমি (ঝাড়খণ্ড)
- বন্যা নিয়ন্ত্রণে 1948 সালে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC) গঠিত হয়
- DVC আমেরিকার টেনেসি ভ্যালি অথরিটির (TVA) আদলে তৈরি
- কোশি = বিহারের দুঃখ; দামোদর = বাংলার দুঃখ
- বাংলার দুঃখ দামোদর, বিহারের দুঃখ কোশি: 'দা'-তে বাংলা, 'কো'-তে বিহার
গোদাবরী নদীর উৎস কোথায়?
গোদাবরী মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলার ত্র্যম্বকেশ্বরের কাছে পশ্চিমঘাট থেকে বেরিয়ে পূর্বে বয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে। মহাবালেশ্বর কৃষ্ণার উৎস, অমরকণ্টক নর্মদার, তালাকাবেরী কাবেরীর।
- গোদাবরী উপদ্বীপীয় ভারতের দীর্ঘতম নদী
- একে 'দক্ষিণের গঙ্গা' বলা হয়
- পূর্ববাহিনী নদী: বঙ্গোপসাগরে পড়েছে
| নদী | উৎস | রাজ্য |
|---|---|---|
| গোদাবরী | ত্র্যম্বকেশ্বর (নাসিক) | মহারাষ্ট্র |
| কৃষ্ণা | মহাবালেশ্বর | মহারাষ্ট্র |
| কাবেরী | তালাকাবেরী (ব্রহ্মগিরি পাহাড়) | কর্ণাটক |
| নর্মদা | অমরকণ্টক | মধ্যপ্রদেশ |
| তাপ্তি | মুলতাই (বেতুল) | মধ্যপ্রদেশ |
| মহানদী | সিহাওয়া | ছত্তিশগড় |
উপদ্বীপের প্রধান নদীর উৎস
অমরকণ্টক থেকে উৎপন্ন কোন নদী পশ্চিমে বয়ে আরব সাগরে পড়েছে?
নর্মদা মধ্যপ্রদেশের অমরকণ্টক মালভূমি থেকে বেরিয়ে পশ্চিমে বয়ে গুজরাটের কাছে খাম্বাত উপসাগরে (আরব সাগর) পড়েছে। তাপ্তিও পশ্চিমবাহিনী, কিন্তু তার উৎস বেতুলের মুলতাই। মহানদী ও কৃষ্ণা পূর্বে বয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
- নর্মদা ও তাপ্তি: উপদ্বীপের প্রধান দুই পশ্চিমবাহিনী নদী
- শোন নদীর উৎসও অমরকণ্টকের কাছে, তবে শোন উত্তরে বয়ে গঙ্গায় মিশেছে
- নর্মদার ওপর গুজরাটে সর্দার সরোবর বাঁধ
- অমরকণ্টক থেকে নর্মদা ও শোন দুটোই বেরিয়েছে, কিন্তু আরব সাগরে যায় শুধু নর্মদা
| নদী | উৎস | রাজ্য |
|---|---|---|
| গোদাবরী | ত্র্যম্বকেশ্বর (নাসিক) | মহারাষ্ট্র |
| কৃষ্ণা | মহাবালেশ্বর | মহারাষ্ট্র |
| কাবেরী | তালাকাবেরী (ব্রহ্মগিরি পাহাড়) | কর্ণাটক |
| নর্মদা | অমরকণ্টক | মধ্যপ্রদেশ |
| তাপ্তি | মুলতাই (বেতুল) | মধ্যপ্রদেশ |
| মহানদী | সিহাওয়া | ছত্তিশগড় |
উপদ্বীপের প্রধান নদীর উৎস
ভাকরা বাঁধ কোন নদীর ওপর নির্মিত?
ভাকরা বাঁধ হিমাচল প্রদেশের বিলাসপুর জেলায় শতদ্রু (Sutlej) নদীর ওপর। এর জলাধারের নাম গোবিন্দ সাগর। বিপাশার (Beas) ওপর পং বাঁধ, ইরাবতীর (Ravi) ওপর রঞ্জিত সাগর বাঁধ, চন্দ্রভাগা (Chenab) জম্মু-কাশ্মীরের নদী।
- ভাকরা-নাঙ্গাল প্রকল্প: পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থানে সেচ ও বিদ্যুৎ
- জলাধার: গোবিন্দ সাগর
- শতদ্রু সিন্ধুর উপনদী
- ভাকরা-শতদ্রু-গোবিন্দ সাগর: তিনটি একসঙ্গে মনে রাখুন
| বাঁধ | নদী | রাজ্য |
|---|---|---|
| ভাকরা | শতদ্রু | হিমাচল প্রদেশ |
| পং | বিপাশা | হিমাচল প্রদেশ |
| রঞ্জিত সাগর | ইরাবতী | পাঞ্জাব |
| তেহরি | ভাগীরথী | উত্তরাখণ্ড |
| সর্দার সরোবর | নর্মদা | গুজরাট |
| নাগার্জুন সাগর | কৃষ্ণা | তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ |
বাঁধ ও তাদের নদী
উত্তরাখণ্ডের তেহরি বাঁধ কোন নদীর ওপর?
তেহরি বাঁধ উত্তরাখণ্ডের তেহরি গাড়োয়াল জেলায় ভাগীরথী নদীর ওপর, ভারতের উচ্চতম বাঁধগুলির একটি। অলকানন্দা ও মন্দাকিনীও গাড়োয়ালের নদী, কিন্তু তেহরি বাঁধ তাদের ওপর নয়; যমুনা বেরিয়েছে যমুনোত্রী থেকে।
- ভাগীরথী গঙ্গোত্রী হিমবাহ (গোমুখ) থেকে বেরিয়েছে
- দেবপ্রয়াগে ভাগীরথী ও অলকানন্দা মিলে গঙ্গা
- মন্দাকিনী রুদ্রপ্রয়াগে অলকানন্দায় মেশে
| বাঁধ | নদী | রাজ্য |
|---|---|---|
| ভাকরা | শতদ্রু | হিমাচল প্রদেশ |
| পং | বিপাশা | হিমাচল প্রদেশ |
| রঞ্জিত সাগর | ইরাবতী | পাঞ্জাব |
| তেহরি | ভাগীরথী | উত্তরাখণ্ড |
| সর্দার সরোবর | নর্মদা | গুজরাট |
| নাগার্জুন সাগর | কৃষ্ণা | তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশ |
বাঁধ ও তাদের নদী
হোগেনাক্কাল জলপ্রপাত কোন নদীর ওপর অবস্থিত?
হোগেনাক্কাল জলপ্রপাত তামিলনাড়ুর ধর্মপুরী জেলায়, কর্ণাটক সীমান্তের কাছে কাবেরী নদীর ওপর। শরাবতীর ওপর জোগ জলপ্রপাত (কর্ণাটক); কৃষ্ণা ও তুঙ্গভদ্রা এখানে বয় না।
- কাবেরীর ওপর আরেকটি প্রপাত: শিবসমুদ্রম (কর্ণাটক)
- কাবেরীর উৎস কর্ণাটকের কোডাগুর তালাকাবেরী
- কাবেরী বঙ্গোপসাগরে পড়েছে
- জোগ = শরাবতী; হোগেনাক্কাল ও শিবসমুদ্রম = কাবেরী
সিয়াচেন হিমবাহ কোন পর্বতশ্রেণিতে অবস্থিত?
সিয়াচেন হিমবাহ পূর্ব কারাকোরাম পর্বতশ্রেণিতে, লাদাখে। এটি মেরু অঞ্চলের বাইরে পৃথিবীর দীর্ঘতম হিমবাহগুলির একটি। পীরপাঞ্জাল, জাস্কর ও লাদাখ হিমালয়ের অন্য শ্রেণি।
- সিয়াচেন থেকে নুব্রা নদী বেরিয়েছে
- কারাকোরামেই K2 (গডউইন অস্টেন) শৃঙ্গ
- কারাকোরাম ট্রান্স-হিমালয়ের অংশ
নাথু লা গিরিপথ কোন রাজ্যে অবস্থিত?
নাথু লা সিকিমের গিরিপথ, সিকিমকে তিব্বতের সঙ্গে যুক্ত করেছে; এটি পুরোনো রেশম পথের একটি শাখা। হিমাচলে শিপকি লা, উত্তরাখণ্ডে লিপুলেখ, অরুণাচলে বম ডি লা।
- নাথু লা দিয়ে ভারত-চিন সীমান্ত বাণিজ্য চলে
- সিকিমের আরেক গিরিপথ জেলেপ লা
- 'লা' শব্দের অর্থ গিরিপথ
| গিরিপথ | রাজ্য/অঞ্চল | কাকে যুক্ত করে |
|---|---|---|
| নাথু লা | সিকিম | সিকিম ও তিব্বত |
| জেলেপ লা | সিকিম | সিকিম ও তিব্বত (চুম্বি উপত্যকা) |
| শিপকি লা | হিমাচল প্রদেশ | হিমাচল ও তিব্বত |
| লিপুলেখ | উত্তরাখণ্ড | উত্তরাখণ্ড ও তিব্বত |
| বম ডি লা | অরুণাচল প্রদেশ | অরুণাচল ও তিব্বত |
| জোজি লা | লাদাখ | শ্রীনগর ও লেহ |
হিমালয়ের কয়েকটি গিরিপথ
দোদ্দাবেট্টা কোন পার্বত্য অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ?
দোদ্দাবেট্টা (2637 m) তামিলনাড়ুর নীলগিরি পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, উটির কাছে। দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনাইমুদি (2695 m), যা আন্নামালাই পাহাড়ে (কেরালা)। কার্ডামম ও পালনি দক্ষিণের অন্য পাহাড়।
- নীলগিরিতে পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট মিলেছে
- দোদ্দাবেট্টা: 2637 m
- আনাইমুদি: 2695 m, দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ
- আনাইমুদি দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ, দোদ্দাবেট্টা শুধু নীলগিরির সর্বোচ্চ
ভারতের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ব্যারেন দ্বীপ কোথায় অবস্থিত?
ব্যারেন দ্বীপ আন্দামান সাগরে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অংশ; এটি ভারতের একমাত্র সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। লাক্ষাদ্বীপ প্রবাল দ্বীপ, কচ্ছের রান লবণাক্ত জলাভূমি, মান্নার উপসাগর ভারত-শ্রীলঙ্কার মাঝের সমুদ্র।
- কাছের নারকোন্ডাম দ্বীপ একটি সুপ্ত আগ্নেয়গিরি
- আন্দামান সাগর বঙ্গোপসাগরের অংশ
- আন্দামানের দ্বীপগুলি মূলত নিমজ্জিত পর্বতের চূড়া
- ব্যারেন = সক্রিয়; নারকোন্ডাম = সুপ্ত
লাক্ষাদ্বীপের দ্বীপগুলি মূলত কী দিয়ে গঠিত?
আরব সাগরের লাক্ষাদ্বীপ প্রবাল (coral) দিয়ে তৈরি ছোট ছোট দ্বীপ ও অ্যাটলের সমষ্টি। আগ্নেয় শিলার দ্বীপের উদাহরণ ব্যারেন দ্বীপ; হিমবাহ ও নদীর পলি দিয়ে এই দ্বীপ তৈরি নয়।
- লাক্ষাদ্বীপের রাজধানী কাভারত্তি
- পিট্টি দ্বীপে পাখিরালয় আছে
- ভারতের ক্ষুদ্রতম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (আয়তনে)
- আরব সাগরে প্রবাল (লাক্ষাদ্বীপ), বঙ্গোপসাগরে পর্বত ও আগ্নেয়গিরি (আন্দামান)
ম্যাকমোহন লাইন ভারতকে কোন দেশ থেকে আলাদা করেছে?
ম্যাকমোহন লাইন 1914 সালের সিমলা সম্মেলনে টানা ভারত-চিন (তিব্বত) সীমারেখা, অরুণাচল প্রদেশের উত্তর দিক দিয়ে গেছে। ভারত-পাকিস্তান ও ভারত-বাংলাদেশ সীমারেখা র্যাডক্লিফ লাইন; মায়ানমারের সঙ্গে সীমানার এমন কোনো নাম নেই।
- নামটি ব্রিটিশ আধিকারিক হেনরি ম্যাকমোহনের নামে
- ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান-আফগানিস্তান
- র্যাডক্লিফ লাইন টানা হয় 1947 সালে
| সীমারেখা | কাদের মধ্যে |
|---|---|
| ম্যাকমোহন লাইন | ভারত ও চিন (অরুণাচল প্রদেশ) |
| র্যাডক্লিফ লাইন | ভারত ও পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ |
| ডুরান্ড লাইন | পাকিস্তান ও আফগানিস্তান |
তিনটি পরিচিত সীমারেখা
মালাবার উপকূল কোন রাজ্যে অবস্থিত?
পশ্চিম উপকূলের দক্ষিণ অংশ, কেরালার উপকূল, মালাবার উপকূল নামে পরিচিত। কর্ণাটকের উপকূল কন্নড় উপকূল, গোয়ার নিজস্ব গোয়া উপকূল, আর তামিলনাড়ু পূর্ব উপকূলে, তার উপকূলের নাম করমণ্ডল।
- মালাবার উপকূলে উপহ্রদ বা কয়াল (backwaters) দেখা যায়
- পশ্চিম উপকূল উত্তর থেকে দক্ষিণে: কচ্ছ-কাথিয়াওয়াড়, কোঙ্কণ, গোয়া, কন্নড়, মালাবার
- পূর্ব উপকূল: উত্তরে উত্তর সরকার, দক্ষিণে করমণ্ডল
- মালাবার পশ্চিমে (কেরালা), করমণ্ডল পূর্বে (তামিলনাড়ু)
| উপকূল | রাজ্য |
|---|---|
| কচ্ছ ও কাথিয়াওয়াড় | গুজরাট |
| কোঙ্কণ | মহারাষ্ট্র |
| গোয়া উপকূল | গোয়া |
| কন্নড় উপকূল | কর্ণাটক |
| মালাবার | কেরালা |
| করমণ্ডল | তামিলনাড়ু |
| উত্তর সরকার | অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা |
ভারতের উপকূলের নাম
উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রবল বৃষ্টিতে ধৌত প্রক্রিয়ায় (leaching) কোন মাটি তৈরি হয়?
গরম ও প্রবল বৃষ্টির অঞ্চলে বৃষ্টির জল মাটির চুন, সিলিকা ইত্যাদি ধুয়ে নিয়ে যায়, পড়ে থাকে লোহা ও অ্যালুমিনিয়ামের অক্সাইড: এটাই ল্যাটেরাইট মাটি। কৃষ্ণ মৃত্তিকা ব্যাসল্ট শিলা থেকে, পলি মাটি নদীর সঞ্চয় থেকে, মরু মাটি শুষ্ক অঞ্চলে তৈরি হয়।
- নামটি লাতিন 'later' (ইট) শব্দ থেকে
- কর্ণাটক, কেরালা, তামিলনাড়ু, ওড়িশার পাহাড়ি অঞ্চল ও অসমে দেখা যায়
- সার দিয়ে কাজু, চা, কফি চাষ হয়
গ্রীষ্মের শেষে কেরালা ও কর্ণাটক উপকূলে যে প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টি আম তাড়াতাড়ি পাকাতে সাহায্য করে, তাকে কী বলে?
গ্রীষ্মের শেষে কেরালা ও কর্ণাটক উপকূলে যে প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টি হয়, তা আম তাড়াতাড়ি পাকায়, তাই নাম আম্র বৃষ্টি। ব্লসম শাওয়ারে কফি গাছে ফুল ফোটে, কালবৈশাখী পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের সন্ধ্যার ঝড়, লু উত্তর ভারতের গরম শুষ্ক বাতাস।
- সব কটিই গ্রীষ্মকালের স্থানীয় ঝড় বা বৃষ্টি
- কালবৈশাখী (Nor'wester) পাট, ধান ও চায়ের পক্ষে উপকারী
- লু বৃষ্টি আনে না
- আম্র বৃষ্টি = আম; ব্লসম শাওয়ার = কফি ফুল
| নাম | কোথায় | কী |
|---|---|---|
| আম্র বৃষ্টি | কেরালা ও কর্ণাটক উপকূল | প্রাক-মৌসুমি বৃষ্টি, আম তাড়াতাড়ি পাকে |
| ব্লসম শাওয়ার | কেরালা ও কাছের অঞ্চল | কফি গাছে ফুল ফোটে |
| কালবৈশাখী | পশ্চিমবঙ্গ ও অসম | সন্ধ্যার ঝড়বৃষ্টি; অসমে 'চায়ের বৃষ্টি' |
| লু | উত্তর ভারতের সমভূমি | গ্রীষ্মের গরম শুষ্ক বাতাস |
গ্রীষ্মের স্থানীয় ঝড় ও বৃষ্টি
কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান কোন প্রাণীর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত?
অসমের কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান ভারতীয় এক-শৃঙ্গ গন্ডারের জন্য বিখ্যাত; এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় আছে। এশীয় সিংহ গুজরাটের গিরে, বন্য গাধা গুজরাটের কচ্ছের রানে, হাঙ্গুল কাশ্মীরের দাচিগামে।
- কাজিরাঙা ব্রহ্মপুত্রের তীরে, অসমে
- 1985 সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ওঠে
- পশ্চিমবঙ্গের জলদাপাড়া ও গরুমারাতেও এক-শৃঙ্গ গন্ডার আছে
ভাসমান জাতীয় উদ্যান কেইবুল লামজাও যে লোকটাক হ্রদে, সেটি কোন রাজ্যে?
লোকটাক হ্রদ মণিপুরে, উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মিঠা জলের হ্রদ। এর ওপর ভাসমান উদ্ভিদের স্তূপ 'ফুমদি'-র ওপর কেইবুল লামজাও জাতীয় উদ্যান, বিশ্বের একমাত্র ভাসমান জাতীয় উদ্যান। মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও ত্রিপুরায় এই হ্রদ নেই।
- ফুমদি: মাটি ও উদ্ভিদের ভাসমান স্তূপ
- কেইবুল লামজাও সাঙ্গাই হরিণের (মণিপুরের রাজ্য-পশু) আবাস
- ভারতের বৃহত্তম মিঠা জলের হ্রদ ওয়ুলার (জম্মু-কাশ্মীর)
ভারতের প্রাচীনতম তেল শোধনাগার ডিগবয় কোন রাজ্যে অবস্থিত?
ডিগবয় অসমের তিনসুকিয়া জেলায়; এখানকার শোধনাগার 1901 সালে চালু হয়, এটি ভারতের প্রাচীনতম তেল শোধনাগার। গুজরাটে আঙ্কলেশ্বর তেলক্ষেত্র ও জামনগর শোধনাগার, মহারাষ্ট্রে মুম্বাই হাই (সমুদ্রে), ত্রিপুরায় প্রাকৃতিক গ্যাস।
- অসমের ডিগবয় ভারতের প্রাচীনতম তেলক্ষেত্রগুলির একটি
- মুম্বাই হাই: আরব সাগরের উপকূলবর্তী তেলক্ষেত্র
- আঙ্কলেশ্বর: গুজরাটের তেলক্ষেত্র
| স্থান | খনিজ/শিল্প | রাজ্য |
|---|---|---|
| ডিগবয় | খনিজ তেল, প্রাচীনতম শোধনাগার | অসম |
| খেতড়ি | তামা | রাজস্থান |
| কোডারমা | অভ্র | ঝাড়খণ্ড |
| ঝরিয়া | কয়লা (কোকিং কয়লা) | ঝাড়খণ্ড |
| কুদ্রেমুখ | লোহা আকরিক | কর্ণাটক |
| কোলার | সোনা | কর্ণাটক |
খনিজের জন্য পরিচিত কয়েকটি স্থান
রাজস্থানের খেতড়ি অঞ্চল কোন খনিজের জন্য বিখ্যাত?
রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার খেতড়ি অঞ্চল তামার খনির জন্য বিখ্যাত। অভ্রের জন্য পরিচিত ঝাড়খণ্ডের কোডারমা, বক্সাইটের জন্য ওড়িশা, ম্যাঙ্গানিজের জন্য ওড়িশা ও মধ্যপ্রদেশ।
- অন্য তামার অঞ্চল: মধ্যপ্রদেশের মালাঞ্জখণ্ড, ঝাড়খণ্ডের সিংভূম
- তামা বিদ্যুতের তার তৈরিতে লাগে
- খেতড়ি আরাবল্লী অঞ্চলে
| স্থান | খনিজ/শিল্প | রাজ্য |
|---|---|---|
| ডিগবয় | খনিজ তেল, প্রাচীনতম শোধনাগার | অসম |
| খেতড়ি | তামা | রাজস্থান |
| কোডারমা | অভ্র | ঝাড়খণ্ড |
| ঝরিয়া | কয়লা (কোকিং কয়লা) | ঝাড়খণ্ড |
| কুদ্রেমুখ | লোহা আকরিক | কর্ণাটক |
| কোলার | সোনা | কর্ণাটক |
খনিজের জন্য পরিচিত কয়েকটি স্থান
ভারতের কয়টি রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমানা আছে?
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের 5টি রাজ্যের সীমানা: পশ্চিমবঙ্গ, অসম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম। এর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ অংশ পশ্চিমবঙ্গের।
- ভারত-বাংলাদেশ সীমানা ভারতের দীর্ঘতম স্থলসীমানা
- ত্রিপুরা তিন দিক থেকে বাংলাদেশে ঘেরা
- ভারত-বাংলাদেশ সীমারেখা র্যাডক্লিফ লাইন
- 'পশ্চিমবঙ্গ-অসম-মেঘালয়-ত্রিপুরা-মিজোরাম': 5টি
📊 বিষয় বিশ্লেষণ
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 Part-I-এর জেনারেল স্টাডিজে ভারতের ভূগোল থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। এই চতুর্থ পর্বে 20টি নতুন প্রশ্ন: উপদ্বীপের নদীর উৎস, বাঁধ ও জলপ্রপাত, হিমালয়ের গিরিপথ ও হিমবাহ, দ্বীপ ও উপকূল, মাটি, গ্রীষ্মের স্থানীয় বৃষ্টি, জাতীয় উদ্যান, খনিজ এবং সীমানা।
প্রতিটি প্রশ্নে 30 সেকেন্ড। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মূল তথ্য আর অতিরিক্ত তথ্যে তুলনার সারণি ও মানচিত্র দেখে নিন। আগের পর্বগুলি: প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয়। পুরো প্রস্তুতির জন্য দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা।
Table of Contents
সূত্র
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই কুইজে কোন বিষয়ের প্রশ্ন আছে?
ভারতের ভূগোলের 20টি প্রশ্ন: নদীর উৎস, বাঁধ, জলপ্রপাত, গিরিপথ, হিমবাহ, দ্বীপ, উপকূল, মাটি, স্থানীয় বৃষ্টি, জাতীয় উদ্যান, খনিজ ও সীমানা।
ক্লার্কশিপ Part-I-এ জেনারেল স্টাডিজে কত নম্বর থাকে?
Part-I-এ 100টি MCQ: ইংরেজি 30, জেনারেল স্টাডিজ 40, পাটিগণিত 30। ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়।
প্রতিটি প্রশ্নে কত সময় পাওয়া যাবে?
প্রতিটি প্রশ্নে 30 সেকেন্ড। উত্তরের পর ব্যাখ্যা ও অতিরিক্ত তথ্য দেখা যায়।

Leave a Comment
Commenting as ·