ভারতের ভূগোল মিশ্র কুইজ 2: নদী, মাটি, জলবায়ু ও খনিজ, ক্লার্কশিপ 2024
একটু অনুশীলন, আরও এক ধাপ এগিয়ে।
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-I-এর General Studies অংশে ভারতের ভূগোল থেকে প্রশ্ন আসে। এই কুইজে নদী, মাটি, জলবায়ু, ফসল, হ্রদ ও খনিজ থেকে 20টি মিশ্র প্রশ্ন আছে; আগের কুইজগুলির প্রশ্ন এখানে নেই। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মূল তথ্য ও ভুল করার সম্ভাব্য জায়গা দেখুন। পরীক্ষায় ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়, তাই অনুমানে উত্তর দেওয়ার আগে ভাবুন। পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতির জন্য দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা এবং আবেদনের নিয়ম জানতে আবেদন গাইড। সূত্র WBPSC,…
ভারতের সম্পূর্ণ ভূখণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত দীর্ঘতম নদী কোনটি?
গঙ্গা ভারতের মধ্য দিয়ে প্রায় 2,525 km প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে, তাই এটি ভারতের দীর্ঘতম নদী। সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র অনেকটা পথ ভারতের বাইরে (তিব্বত, পাকিস্তান) বয়ে আসে। গোদাবরী (প্রায় 1,465 km) উপদ্বীপীয় ভারতের দীর্ঘতম নদী।
- গঙ্গার দৈর্ঘ্য প্রায় 2,525 km
- গোদাবরী উপদ্বীপীয় ভারতের দীর্ঘতম নদী
- গঙ্গা বঙ্গোপসাগরে পড়েছে
- সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্র দৈর্ঘ্যে বড় হলেও পুরোটা ভারতে নয়
- গঙ্গা = ভারতের নিজস্ব দীর্ঘতম; গোদাবরী = দক্ষিণের দীর্ঘতম
| নদী | প্রায় দৈর্ঘ্য (km, ভারতে) |
|---|---|
| গঙ্গা | 2,525 |
| গোদাবরী | 1,465 |
| কৃষ্ণা | 1,400 |
| নর্মদা | 1,312 |
নর্মদা নদী কোন জলভাগে গিয়ে পড়েছে?
নর্মদা মধ্যপ্রদেশের অমরকণ্টক থেকে উৎপন্ন হয়ে ভ্রংশ উপত্যকার মধ্য দিয়ে পশ্চিমে বয়ে গুজরাতের কাছে খাম্ভাত উপসাগর হয়ে আরব সাগরে পড়েছে। উপদ্বীপের বেশির ভাগ বড় নদী পূর্বমুখী, নর্মদা তার ব্যতিক্রম।
- উৎস অমরকণ্টক, মধ্যপ্রদেশ
- পশ্চিমবাহিনী নদী
- ভ্রংশ উপত্যকা দিয়ে প্রবাহিত
- দক্ষিণের নদী মানেই বঙ্গোপসাগরে নয়
- নর্মদা ও তাপ্তী = পশ্চিমে, বাকি বড় নদী পূর্বে
চিল্কা হ্রদ কোন রাজ্যে অবস্থিত?
চিল্কা ওড়িশার পুরী, খুর্দা ও গঞ্জাম জেলা জুড়ে বঙ্গোপসাগরের তীরে অবস্থিত। এটি ভারতের বৃহত্তম উপকূলীয় লেগুন, লোনা জলের হ্রদ। অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ুর উপকূলে যথাক্রমে কোলেরু ও পুলিকট লেগুন আছে, চিল্কা নয়।
- চিল্কা ভারতের বৃহত্তম উপকূলীয় লেগুন
- বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সরু মুখে যুক্ত
- পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত
- পুলিকট ও কোলেরুকে চিল্কার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা
- চিল্কা = ওড়িশা, পুলিকট = অন্ধ্র-তামিলনাড়ু সীমানা
তুলো চাষের পক্ষে সবচেয়ে উপযোগী কালো মাটির আরেক নাম কী?
দাক্ষিণাত্য ট্র্যাপের ব্যাসাল্ট শিলা ক্ষয়ে তৈরি কালো মাটিকে রেগুর বলে। এ মাটি জল ধরে রাখে, তাই তুলো চাষের উপযোগী; এ জন্য একে 'কালো তুলো মাটি'ও বলা হয়। লাল মাটি ও ল্যাটেরাইট জল ধরে রাখতে পারে না, আর পলি মাটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের সমভূমিতে ধান-গমের জন্য ভালো।
- রেগুর মাটি ব্যাসাল্ট থেকে তৈরি
- মহারাষ্ট্র, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশে বেশি
- জলধারণ ক্ষমতা বেশি
- পলি মাটি সবচেয়ে উর্বর হলেও তুলোর জন্য বিখ্যাত নয়
- কালো = রেগুর = তুলো
| মাটি | গঠনের উৎস | উপযোগী ফসল |
|---|---|---|
| পলি | নদীবাহিত পলি | ধান, গম, আখ |
| কালো (রেগুর) | ব্যাসাল্ট শিলা | তুলো, সয়াবিন |
| লাল | গ্রানাইট, নিস | ডাল, মিলেট |
| ল্যাটেরাইট | ভারী বৃষ্টিতে ক্ষয় | চা, কফি, কাজু |
পশ্চিমঘাট পর্বতমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কোনটি?
আনাইমুদি (প্রায় 2,695 m) কেরলের ইডুক্কি জেলায় অবস্থিত, এটি পশ্চিমঘাট তথা দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। দোদাবেত্তা নীলগিরির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ, মহেন্দ্রগিরি পূর্বঘাটের, আর গুরুশিখর আরাবল্লির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- আনাইমুদি, কেরল, প্রায় 2,695 m
- গুরুশিখর = আরাবল্লি
- দোদাবেত্তা = নীলগিরি
- দোদাবেত্তাকে পশ্চিমঘাটের সর্বোচ্চ ভাবা
- আনাইমুদি = পশ্চিমঘাট ও দক্ষিণের সর্বোচ্চ
| শৃঙ্গ | পর্বত | অবস্থান |
|---|---|---|
| আনাইমুদি | পশ্চিমঘাট | কেরল |
| দোদাবেত্তা | নীলগিরি | তামিলনাড়ু |
| গুরুশিখর | আরাবল্লি | রাজস্থান |
| মহেন্দ্রগিরি | পূর্বঘাট | ওড়িশা |
কর্কটক্রান্তি রেখা ভারতের কয়টি রাজ্যের মধ্য দিয়ে গেছে?
কর্কটক্রান্তি (23½°উ) গুজরাত, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ়, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও মিজোরাম, এই 8টি রাজ্যের মধ্য দিয়ে গেছে।
- রেখাটি 23½° উত্তর অক্ষাংশে
- গুজরাত থেকে মিজোরাম পর্যন্ত 8 রাজ্য
- পশ্চিমবঙ্গ তার মধ্যে একটি
- ওড়িশা বা বিহারকে তালিকায় ধরে ফেলা
- গু-রা-ম-ছ-ঝা-প-ত্রি-মি = 8
থর মরুভূমি প্রধানত ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
থর মরুভূমির বেশির ভাগ অংশ রাজস্থানে পড়েছে, কিছু অংশ গুজরাত, হরিয়ানা ও পাঞ্জাবে ছড়িয়ে আছে। এখানে বছরে বৃষ্টি খুব কম, প্রধান নদী লুনি, যা বঙ্গোপসাগর বা আরব সাগরে না গিয়ে কচ্ছের রণের কাছে হারিয়ে যায়।
- বেশির ভাগ থর রাজস্থানে
- লুনি থরের প্রধান নদী
- বৃষ্টিপাত বছরে 25 cm-এর কম
- গুজরাতের রণ আর থর এক নয়
- থর = রাজস্থান
সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যের নামকরণ যে গাছের নামে হয়েছে বলে মনে করা হয়, সেটি কোনটি?
সুন্দরবন নামটির উৎপত্তি 'সুন্দরী' গাছ থেকে বলে প্রচলিত মত। গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপের এই ম্যানগ্রোভ অরণ্য রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত। শাল ও সেগুন পর্ণমোচী গাছ, ম্যানগ্রোভ নয়। গরানও ম্যানগ্রোভ, তবে নামের উৎস হিসেবে সুন্দরীকেই ধরা হয়।
- সুন্দরবন গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র ব-দ্বীপে
- রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের আবাস
- 1987 সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি
- শাল ও সেগুন শুষ্ক পর্ণমোচী অরণ্যের গাছ
- সুন্দরী গাছ → সুন্দরবন
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ভারতের কোন রাজ্যে সবার আগে প্রবেশ করে?
আরব সাগরের শাখা হয়ে মৌসুমি বায়ু সাধারণত জুনের শুরুতে (প্রায় 1 জুন) কেরলের উপকূলে প্রথম আঘাত করে। তারপর ধীরে ধীরে উত্তরে কর্ণাটক, গোয়া ও মহারাষ্ট্রের দিকে এগোয়।
- বর্ষার প্রবেশ প্রায় 1 জুন, কেরল
- আরব সাগর শাখা পশ্চিমঘাটে বাধা পায়
- পশ্চিমঘাটের পশ্চিম ঢালে প্রচুর বৃষ্টি
- বঙ্গোপসাগর শাখা প্রথমে আন্দামানে ঢোকে, কিন্তু মূল ভূখণ্ডে কেরল আগে
- বর্ষার দরজা = কেরল
ভারতের কোন স্থানটি সর্বাধিক গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের জন্য পরিচিত (প্রচলিত পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী)?
মেঘালয়ের খাসি পাহাড়ের মৌসিনরামে বছরে প্রায় 11,800 mm বৃষ্টি হয়, যা পৃথিবীর সর্বাধিক বৃষ্টির স্থানগুলির একটি। বঙ্গোপসাগরের বায়ু ফানেলের মতো খাসি পাহাড়ে আটকে গিয়ে প্রচুর বৃষ্টি ঘটায়। শিলংয়ে এর চেয়ে অনেক কম বৃষ্টি হয়।
- মৌসিনরাম, খাসি পাহাড়, মেঘালয়
- চেরাপুঞ্জি তার কাছেই
- বৃষ্টির কারণ পাহাড়ি বাধা ও ফানেল আকৃতি
- পাঠ্যবইয়ে আগে চেরাপুঞ্জি লেখা হত
- মেঘের আলয় = মেঘালয় = মৌসিনরাম
নিচের কোন নদীটি পশ্চিমবাহিনী এবং আরব সাগরে পড়েছে?
তাপ্তী নদী মধ্যপ্রদেশের সাতপুরা অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে নর্মদার সমান্তরালে পশ্চিমে বয়ে খাম্ভাত উপসাগরে পড়েছে। গোদাবরী, মহানদী ও কাবেরী পূর্বমুখী, বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
- তাপ্তী ও নর্মদা পশ্চিমবাহিনী
- গোদাবরী, মহানদী, কাবেরী পূর্বমুখী
- তাপ্তীর তীরে সুরাত
- কাবেরী দক্ষিণে হলেও পূর্বে যায়
- পশ্চিমে দুই বোন: নর্মদা ও তাপ্তী
| নদী | কোথায় মিশেছে |
|---|---|
| নর্মদা | আরব সাগর |
| তাপ্তী | আরব সাগর |
| গোদাবরী | বঙ্গোপসাগর |
| মহানদী | বঙ্গোপসাগর |
| কৃষ্ণা | বঙ্গোপসাগর |
| কাবেরী | বঙ্গোপসাগর |
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে কোন প্রণালী দুই ভাগে ভাগ করেছে?
10° উত্তর অক্ষাংশ বরাবর টেন ডিগ্রি চ্যানেল উত্তরে আন্দামান (লিটল আন্দামান পর্যন্ত) ও দক্ষিণে নিকোবর (কার নিকোবর থেকে) দ্বীপগুলিকে আলাদা করেছে। পক প্রণালী ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাঝে। নাইন ডিগ্রি চ্যানেল লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় ও মূল লাক্ষাদ্বীপ গোষ্ঠীর মাঝে।
- টেন ডিগ্রি চ্যানেল = আন্দামান | নিকোবর
- পক প্রণালী = ভারত | শ্রীলঙ্কা
- নাইন ডিগ্রি চ্যানেল = লাক্ষাদ্বীপ
- টেন ও নাইন ডিগ্রি চ্যানেলের গোলমাল
- 10° → আন্দামান-নিকোবর; 9° → লাক্ষাদ্বীপ
| প্রণালী/চ্যানেল | কাদের মাঝে |
|---|---|
| টেন ডিগ্রি চ্যানেল | আন্দামান ও নিকোবর |
| নাইন ডিগ্রি চ্যানেল | মিনিকয় ও লাক্ষাদ্বীপ গোষ্ঠী |
| পক প্রণালী | ভারত ও শ্রীলঙ্কা |
পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতমালা যে পাহাড়ি অঞ্চলে এসে মিলিত হয়েছে, তার নাম কী?
তামিলনাড়ু, কেরল ও কর্ণাটকের সংযোগস্থলে নীলগিরি পাহাড়ে পূর্ব ও পশ্চিমঘাট মিলিত হয়েছে। এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ দোদাবেত্তা (প্রায় 2,637 m)। আরাবল্লি, সাতপুরা ও বিন্ধ্য উত্তর ও মধ্য ভারতের পর্বতশ্রেণি।
- নীলগিরিতে দুই ঘাটের মিলন
- দোদাবেত্তা নীলগিরির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ
- উটি নীলগিরিতে
- সাতপুরা মধ্যভারতে, নর্মদা-তাপ্তীর মাঝে
- নীলগিরি = দুই ঘাটের সেতু
গঙ্গা নদী গঠিত হয়েছে কোন দুই নদীর মিলনে (দেবপ্রয়াগে)?
উত্তরাখণ্ডের দেবপ্রয়াগে গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে আসা ভাগীরথী এবং অলকানন্দা নদী মিলিত হয়ে গঙ্গা নামে পরিচিত হয়েছে। এর আগে নদীটি ভাগীরথী নামে চলে। যমুনা এলাহাবাদে (প্রয়াগরাজ) গঙ্গার সঙ্গে মেশে, আলাদা উৎস থেকে।
- দেবপ্রয়াগ, উত্তরাখণ্ড
- ভাগীরথীর উৎস গঙ্গোত্রী হিমবাহ
- পশ্চিমবঙ্গে ভাগীরথী-হুগলি শাখা বয়
- যমুনার মিলন প্রয়াগরাজে, দেবপ্রয়াগে নয়
- দেবপ্রয়াগ = ভাগীরথী + অলকানন্দা
ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতে কী নামে পরিচিত?
ব্রহ্মপুত্র তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো (ত্সাংপো) নামে পরিচিত। ভারতে অরুণাচলে প্রবেশের পর এটি দিহং বা সিয়াং নামে আসে, অসমে ব্রহ্মপুত্র, আর বাংলাদেশে যমুনা নামে বয়ে গঙ্গা-পদ্মার সঙ্গে মেশে।
- তিব্বতে = ইয়ারলুং সাংপো
- অরুণাচলে = দিহং / সিয়াং
- বাংলাদেশে = যমুনা (জামুনা)
- বাংলাদেশের যমুনা আর ভারতের যমুনা আলাদা
- তিব্বত-সাংপো, অসম-ব্রহ্মপুত্র, বাংলাদেশ-যমুনা
নিচের কোন ফসলটি রবি মরসুমের ফসল?
রবি ফসল অক্টোবর-নভেম্বরে বোনা হয় ও মার্চ-এপ্রিলে কাটা হয়। গম, যব, ছোলা, সরষে রবি ফসল। ধান, বাজরা ও তুলো খরিফ ফসল, যা বর্ষার শুরুতে বোনা হয়।
- রবি: শীতে বোনা, বসন্তে কাটা
- রবি ফসল: গম, যব, ছোলা, সরষে
- খরিফ ফসল: ধান, বাজরা, তুলো, ভুট্টা
- ধান পশ্চিমবঙ্গে সারা বছর হলেও মূল ফসল খরিফ (আমন)
- রবি = শীত; খরিফ = বর্ষা
| মরসুম | বপন | ফসল তোলা | উদাহরণ |
|---|---|---|---|
| খরিফ | জুন-জুলাই | সেপ্টেম্বর-অক্টোবর | ধান, বাজরা, ভুট্টা, তুলো |
| রবি | অক্টোবর-নভেম্বর | মার্চ-এপ্রিল | গম, যব, ছোলা, সরষে |
ভারতে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন করে কোন রাজ্য?
অসম ভারতের বৃহত্তম চা-উৎপাদক রাজ্য, বিশেষত ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায়। পশ্চিমবঙ্গ (দার্জিলিং, ডুয়ার্স, তরাই) দ্বিতীয় স্থানে। চা-এর জন্য ভারী বৃষ্টি, ঢালু জমি ও জল না-জমা মাটি দরকার।
- অসম প্রথম, পশ্চিমবঙ্গ দ্বিতীয়
- দার্জিলিং চা বিখ্যাত
- ঢালু জমিতে চা ভালো হয়
- দার্জিলিং বিখ্যাত বলে তাকে প্রথম ভাবা
- চা = অসম আগে, তারপর বঙ্গ
ভারতের প্রাচীনতম কয়লাখনি অঞ্চল রানিগঞ্জ কোন রাজ্যে অবস্থিত?
রানিগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান জেলায় (আসানসোল অঞ্চল) দামোদর উপত্যকায় অবস্থিত। এটি ভারতের প্রাচীনতম কয়লাক্ষেত্র, 1774 সালে এখানে খনন শুরু হয়। ঝরিয়া ঝাড়খণ্ডের বিখ্যাত কয়লাক্ষেত্র, তালচের ওড়িশার, কোরবা ছত্তীসগঢ়ের।
- রানিগঞ্জ = পশ্চিমবঙ্গ, দামোদর উপত্যকা
- ঝরিয়া = ঝাড়খণ্ড
- তালচের = ওড়িশা, কোরবা = ছত্তীসগঢ়
- ঝরিয়া ও রানিগঞ্জকে এক রাজ্যে ভাবা
- রানিগঞ্জ = রানির গঞ্জ = বাংলার কয়লা
| কয়লাক্ষেত্র | রাজ্য |
|---|---|
| রানিগঞ্জ | পশ্চিমবঙ্গ |
| ঝরিয়া | ঝাড়খণ্ড |
| তালচের | ওড়িশা |
| কোরবা | ছত্তীসগঢ় |
ভারতের বৃহত্তম মিঠা জলের হ্রদ বলে পরিচিত ওয়ুলার হ্রদ কোথায় অবস্থিত?
ওয়ুলার হ্রদ জম্মু ও কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলায় অবস্থিত, ঝিলম নদী এতে জল দেয়। রাজস্থানের সম্ভর ভারতের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ লোনা জলের হ্রদ, মণিপুরের লোকটাক বৃহত্তম মিঠা জলের হ্রদ নয় বরং ভাসমান 'ফুমদি'-র জন্য বিখ্যাত, আর চিল্কা ওড়িশার উপকূলীয় লেগুন।
- ওয়ুলার = জম্মু ও কাশ্মীর
- সম্ভর = রাজস্থান, লোনা জল
- লোকটাক = মণিপুর, ভাসমান ফুমদি
- সম্ভরকে মিঠা জলের হ্রদ ভাবা
- ওয়ুলার = ঝিলমের হ্রদ
হীরাকুদ বাঁধ কোন নদীর ওপর নির্মিত?
হীরাকুদ বাঁধ ওড়িশার সম্বলপুরের কাছে মহানদীর ওপর নির্মিত, এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মাটির বাঁধগুলির একটি। দামোদরে পাঞ্চেত ও মাইথন, গোদাবরীতে পোলাভরম, কৃষ্ণায় নাগার্জুন সাগর বাঁধ রয়েছে।
- হীরাকুদ = মহানদী, ওড়িশা
- নাগার্জুন সাগর = কৃষ্ণা
- মাইথন-পাঞ্চেত = দামোদর
- দামোদর ও মহানদী দুটোই পূর্ব ভারতের, গুলিয়ে ফেলা সহজ
- হীরাকুদ-মহানদী, দুই 'ম' ও 'হ'
| বাঁধ | নদী | রাজ্য |
|---|---|---|
| হীরাকুদ | মহানদী | ওড়িশা |
| নাগার্জুন সাগর | কৃষ্ণা | তেলঙ্গানা-অন্ধ্রপ্রদেশ |
| মাইথন | বরাকর | ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ |
| পাঞ্চেত | দামোদর | ঝাড়খণ্ড-পশ্চিমবঙ্গ |
📊 বিষয় বিশ্লেষণ
WBPSC ক্লার্কশিপ 2024 পার্ট-I-এর General Studies অংশে ভারতের ভূগোল থেকে প্রশ্ন আসে। এই কুইজে নদী, মাটি, জলবায়ু, ফসল, হ্রদ ও খনিজ থেকে 20টি মিশ্র প্রশ্ন আছে; আগের কুইজগুলির প্রশ্ন এখানে নেই।
প্রতিটি প্রশ্নের জন্য 30 সেকেন্ড সময় পাবেন। উত্তর দেওয়ার পর ব্যাখ্যা, মূল তথ্য ও ভুল করার সম্ভাব্য জায়গা দেখুন। পরীক্ষায় ভুল উত্তরে 0.25 নম্বর কাটা যায়, তাই অনুমানে উত্তর দেওয়ার আগে ভাবুন।
পরীক্ষার পুরো প্রস্তুতির জন্য দেখুন 8 সপ্তাহের প্রস্তুতি পরিকল্পনা এবং আবেদনের নিয়ম জানতে আবেদন গাইড।
Table of Contents
সূত্র
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
কুইজে কতগুলি প্রশ্ন আছে?
20টি বহুবিকল্প প্রশ্ন, প্রতিটির জন্য 30 সেকেন্ড সময়।
এটি কি WBPSC ক্লার্কশিপ 2024-এর জন্য?
হ্যাঁ, ক্লার্কশিপ পার্ট-I-এর General Studies সিলেবাসের ভারতের ভূগোল অংশের অনুশীলন।
ইংরেজিতে কুইজ দেওয়া যাবে?
হ্যাঁ, প্রতিটি প্রশ্নে English/বাংলা টগল আছে।

Leave a Comment
Commenting as ·