২০২৬ সালে বড়সড় নিয়োগের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক (SBI)। ক্লার্ক, পিও এবং এলবিও—সব মিলিয়ে প্রায় ১৮,০০০-এর বেশি শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্য নিয়েছে ব্যাংকটি। সরকারি চাকরির সন্ধানে থাকা প্রার্থীদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে দারুণ এক সুযোগ। নিচে নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দেওয়া হলো।
Table of Contents
শূন্যপদের বিন্যাস
এই বিশাল নিয়োগ প্রক্রিয়ার সিংহভাগই জুড়ে রয়েছে ক্লার্ক পদ। সব মিলিয়ে প্রায় ১৫,০০০-এর বেশি ক্লার্ক পদে কর্মী নিয়োগ করা হতে পারে। বাকি শূন্যপদগুলো পিও এবং এলবিও স্তরের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বয়সসীমা
যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি থাকলেই আপনি আবেদন করতে পারবেন। স্নাতক স্তরে নির্দিষ্ট কোনো নম্বর পাওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বয়সের ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মানতে হবে:
| ক্যাটাগরি | বয়সসীমা |
|---|---|
| সাধারণ (UR) | ২১ থেকে ২৮ বছর |
| ওবিসি (OBC) | ৩ বছরের ছাড় |
| এসসি/এসটি (SC/ST) | ৫ বছরের ছাড় |
নিয়োগ পদ্ধতি
একটা বিষয় জেনে রাখা ভালো, এসবিআই ক্লার্ক পদের জন্য কোনো ইন্টারভিউ নেওয়া হয় না। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি মূলত তিনটি ধাপে সম্পন্ন হয়:
১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা: ইংরেজি, গণিত এবং রিজনিং নিয়ে এই প্রথম ধাপের পরীক্ষা হয়। ২. মেইনস পরীক্ষা: প্রিলিমিনারিতে সফল হওয়ার পর এই পরীক্ষায় বসতে হয়। মনে রাখবেন, চূড়ান্ত মেধা তালিকা তৈরির সময় মেইনস পরীক্ষার নম্বরই মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করা হবে। ৩. ল্যাঙ্গুয়েজ প্রফিশিয়েন্সি টেস্ট (LPT): শেষ ধাপে স্থানীয় ভাষায় দক্ষতা যাচাই করা হয়। পরীক্ষার্থীরা নিজের মাতৃভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
পরীক্ষার বিন্যাস
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বরের প্রশ্ন থাকে এবং সময় পাওয়া যায় ৬০ মিনিট। এখানে কোনো সেকশনাল কাট-অফ নেই। অন্যদিকে, মেইনস পরীক্ষাটি হয় ২০০ নম্বরের, যার জন্য ১৬০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকে।
প্রস্তুতির কৌশল
পরীক্ষায় বাজিমাত করতে হলে নিচের কৌশলগুলো মেনে চলতে পারেন:
- ইংরেজি: প্রতিদিন সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় পাতা পড়ার অভ্যাস করুন। নতুন কোনো শব্দ পেলে তা ডায়েরিতে লিখে রাখুন।
- গণিত: ১ থেকে ২৫ পর্যন্ত নামতা এবং স্কোয়ার রুট মুখস্থ রাখলে পরীক্ষার সময় অনেক সাশ্রয় হবে। দ্রুত গণনার জন্য প্রতিদিন সিম্প্লিফিকেশন প্র্যাকটিস করুন।
- রিজনিং: রোজ অন্তত ২-৩ টি পাজল এবং সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট সমাধানের চেষ্টা করুন।
- মক টেস্ট: নিয়মিত মক টেস্ট দিন। এতে সময়ের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি হবে।

Leave a Comment
Commenting as ·