এই প্রশ্ন আগে পরীক্ষায় এসেছে:
PSC Miscellaneous Prelims 2018
উত্তর
কেশবানন্দ ভারতী কেসে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক কেশবানন্দ ভারতী বনাম কেরালা রাজ্য মামলায় সুপ্রিম কোর্ট 'বেসিক স্ট্রাকচার' বা সংবিধানের মূল কাঠামো মতবাদটি প্রবর্তন করে। ১৩ জন বিচারপতির সর্ববৃহৎ বেঞ্চ এই রায় প্রদান করেছিল। এই রায়ে বলা হয় যে, সংসদের সংবিধান সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে (ধারা ৩৬৮), কিন্তু এই ক্ষমতা ব্যবহার করে সংবিধানের মূল কাঠামো ধ্বংস বা পরিবর্তন করা যাবে না। এটি ভারতীয় বিচারব্যবস্থার একটি যুগান্তকারী রায় হিসেবে বিবেচিত হয়।
মূল পয়েন্ট
- > কেশবানন্দ ভারতী মামলা ১৯৭৩ সালে সংঘটিত হয়।
- > সুপ্রিম কোর্টের ১৩ জন বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার রায় দেয় (সবচেয়ে বড় বেঞ্চ)।
- > রায়ের অনুপাত ছিল ৭:৬।
- > সংসদের সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা (৩৬৮ নং ধারা) মূল কাঠামোর অধীন বলে ঘোষণা করা হয়।
- > গোলকনাথ মামলায় (১৯৬৭) বলা হয়েছিল সংসদ মৌলিক অধিকার সংশোধন করতে পারবে না, কেশবানন্দ মামলা তা খারিজ করে।
- > ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনা হলো সংবিধানের মূল কাঠামোর অংশ।
- > মিনার্ভা মিলস মামলা (১৯৮০) এই বেসিক স্ট্রাকচার মতবাদকে আরও সুদৃঢ় করেছিল।
অতিরিক্ত তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ সুপ্রিম কোর্ট মামলা ও বিষয়
| মামলার নাম | সাল | মূল রায়/বিষয় |
|---|---|---|
| গোলকনাথ মামলা | ১৯৬৭ | মৌলিক অধিকার সংশোধনযোগ্য নয় |
| কেশবানন্দ ভারতী | ১৯৭৩ | বেসিক স্ট্রাকচার মতবাদ |
| মিনার্ভা মিলস | ১৯৮০ | নির্দেশমূলক নীতি ও মৌলিক অধিকারের ভারসাম্য |
| এস. আর. বোম্মাই | ১৯৯৪ | ৩৫৬ ধারার অপব্যবহার রোধ এবং ধর্মনিরপেক্ষতা |
মনে রাখার টিপস
- শব্দ যোগসূত্র: 'Basic Structure' (মূল কাঠামো) = Keshavananda (কেশবানন্দ)। 'K' দিয়ে শুরু নাম, 'B' দিয়ে শুরু থিওরি (KB)।
- গুরুত্বপূর্ণ সাল: ১৯৭৩ সালটি শচীন টেন্ডুলকারের জন্মের সাল, এই বছরেই বেসিক স্ট্রাকচার তৈরি হয়।
